রাতের বেলা ঢাকা শহরের কিছু রাস্তার পাশে নিশিকন্যা রা বসে থাকে। চমৎকার লিপস্টিক ঠোটে, শাড়ি পড়ে এরা গভীর রাতে বসে থাকে খদ্দেরের জন্য। যারা এক রাতের জন্য কিছু টাকার বিনিময়ে তাদের ভোগ করবে।
ইসহাক দাড়িয়ে আছে রাস্তায়। রাত ৩টা বাজে। বৃষ্টির ফোটা পড়ছে বলে। সে বাসায় যেতে পারছে না। সে অফিস থেকে নাইট ডিউটি করে বাসায় ফিরছে। এর মধ্যে বৃষ্টি শুরু হয়ে গেল। তাই তাকে রাস্তার পাশে অপেক্ষা করতে হচ্ছে বৃষ্টি থামার জন্য।
ইসহাক দেখলো তার থেকে কিছু দুরে একটা কিশোরী মেয়ে বসে আছে শাড়ি পড়ে। ইসহাক জানে না, যে এটা নিশিকন্যা। নিশিকন্যা সম্পর্কে তার কোন ধারনা নেই। ইসহার এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে মেয়ে।। টার দিকে। এটা মেয়েটা বুঝতে পেরে মেয়েটা তার দিকে এগিয়ে আসছে।
মেয়েটাকে এগিয়ে আসতে দেখে ইসহাক নার্ভাস হয়ে পকেট থেকে সিগারেট বের করে ধরালো। মেয়েটা তার সামনে এসে বলল, চলো! বাসায় যাই! একরাতের জন্য।
ইসহাক মেয়েটিকে নিয়ে তার বাসায় এসেছে। ঢাকায় একটা ফ্লাট নিয়ে সে একা থাকে। ইসহাক মেয়েটিকে বসিয়ে ওয়াশরুম থেকে হাত মুখ ধুয়ে ফ্রেশ হয়ে ঘরে আসলো। মেয়েটা খাটে বসে আছে। ইসহাককে দেখে সে তার শাড়ির আচল ফেলে দিল। ইসহাক এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে তার দিকে। মেয়েটি এবার নিজের ব্লাউজ খুললো।
ইসহাক মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে আছে মেয়েটার বুকের দিকে। সে অবিবাহিত। এর আগে কোন অর্ধনগ্ন মেয়ে দেখেনি সে। ইসহাক এক পা এক পা করে মেয়েটির সামনে এগিয়ে গেল। তারপর মেয়েটি চাদরের নিচ থেকে একটা ছুড়ি বের করে ইসহাকের বুকে কয়েকবার ঢুকালো আর বের করলো।
ইসাকের বুক থেকে তাজা রক্ত বের হয়ে চারিদিক লাল হয়ে গেল। আর ইসাক সেখানেই মারা গেল।
" নিশিকন্যা "
(ছোটগল্প)
#রুদ্র সিয়াম
(সমাপ্ত)