বন্ধুত্ব নিয়ে বাঙালিদের ভুল ধারনা :
আমরা যে মুর্খ জাতি , তা বলতে আমার আসলে লজ্জা করে না | সত্য কথা বলতে কখনই লজ্জিত হই না আমি | তবুও আমাদের মাঝেই কিছু প্রকৃত শিক্ষিত মানুষ রয়েছেন | যারা আমার লেখার মর্ম বুঝতে পারবে |
১ম ধারনা: বন্ধু হয় সমবয়সীদের মাঝে.....
_এই বাজে ধারনা অনেকের মাঝেই আমি দেখেছি | আসলে আমরা জাত হিসেবে ভদ্র না | এখানে আমাদের প্রথমে জানতে হবে বন্ধুত্ব কী?
আসলে আমার মতে, বন্ধুত্ব হলো দুটো রিদয়ের বন্ধুন | আরো বলতে গেলে বলা যায়, রক্তের সম্পর্ক ছাড়া যে সম্পর্ক গড়ে ওঠে তাই বন্ধুত্বের সম্পর্ক |
তো, এখন যেখানে বন্ধুত্ব মানে পাশাপাশি থাকা, একে অপরকে সাহায্য করা ইত্যাদি | সেখানে যে আমার পরিবারের লোকেদের সাথে যে বন্ধুত্ব করতে পারি | তা নিয়ে অনেকেই জানে না | কারন আমরা মুর্খ জাতি, নিজেরা নিজেদের অনেক বড় মনে করি |
বাবা কিভাবে বন্ধু হতে পারে?
আপনি যদি পশ্চিমা দেশগুলো দেখেন | তাহলে দেখবেন যে সেখানে সবাই সবার বন্ধু | কেউ বড় বা ছোট নয় | বন্ধুত্ব বয়সে হয় না, দুটো রিদয় যখন একে অপরকে পছন্দ করে | তখন হয় |
তো, তারা কি করে? তারা সবাই খুব বন্ধুত্বপূর্ব | এমনকি স্কুলের শিক্ষক থেকে শুরু করে ঘরের লোকেরা সবাই ই একে অপরের বন্ধু |
আচ্ছা! ১টা example দিয়ে দেখাই যে, ছোট বড় সবার সাথে বন্ধুত্ব করলে কি লাভ হয়?
আপনি যদি আপনার ছোট ভাই বোনদের ধমক দিয়ে ১টা কিছু জানতে চান | তাহলে সে সেটা বলবে না, উল্টো ধমক দেওয়ার কারনে মনে মনে তারা আপনাকে অপছন্দ করবে |
কিন্তু এখানে যদি আপনি তাদের সাথে বন্ধুত্ব এর মতো আচরন করেন | তাহলে তারা আপনাকে সবকিছু বলবে, তাদের মনের কথা ও বলবে | তাই কারো বড় ভাই নয়, বন্ধু হয়ে দেখান |
আমি এমন অনেক শিশুকে দেখেছি যারা তাদের মায়েদের সাথে ঠিকমতো কথাও বলে না,
কারন বাঙালিরা ছোটদের এতো গুরুত্ব দেয় না | কিন্তু আমি দেই, যখন আমি ছোটদের সাথে একটু বন্ধুত্ব পূর্ন আচরন করি | তখনই অবাক হই যে, তারা আমাকে আপন করে নেয় | আর আমাকে অনেক কথা খুলে বলে, যা তাদের মা-বাবাও জাবে না |
তাই আমাদের উচিত সিনিয়র-জুনিয়রের এই বাধ ভেঙ্গে সবাইকে বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে দেওয়া |
আমি আপনাকে বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে দিচ্ছি,
যদি আমার হাত আপনার ভালোলাগে | তাহলে অবশ্যই বন্ধু হবো | 😉
@rudro_siyam