একবার গ্রামে গিয়েছিলাম। সন্ধা হয়ে গিয়েছিল। একটা পুকুড় পাড়ে দাড়িয়ে ছিলান। সিগারেট ধরাবো এমন সময় দেখি একটা কিশোরী মেয়ে সাতার জানে না পুকুরে ডুবে যাচ্ছে।
আমি সিগারেট ছুড়ে ফেলে। পকেট থেকে মোবাইলটা ছুড়ে ফেললাম ঘাষের ওপর যাতে না ভাঙে। তারপর পুকুরে লাফ দিলাম। মেয়েটাকে পাড়ে নিয়ে আসলাম।
এখন দেখি মেয়েটা অজ্ঞান হয়ে গেছে। ক্লাস ৫ এ পড়েছিলাম। কেউ সাতার কাটতে গিয়ে ডুবে গেলে তাকে কিভাবে বাচায়। আজ সেই পড়াশোনা কাজে লাগবে। সিপিআর দিতে হবে মেয়েটাকে।
আমি আমার দুহাত একসাথে মুস্তিবদ্ধ করে মেয়েটার বুকে ধাক্কা দিচ্ছি। সিনেমায় যেমন দেখায়। বুকে ধাক্কা দিলে মুখ দিয়ে পানি বের হয়। বাস্তবে এমন কিছু হলো না। তারপরও দেখি জ্ঞান ফিরলো না। পরে আর কোন উপায় নাই। তাই ওইটা করতে হলো। ঠোঁট ঠোঁট লাগিয়ে মুখে ফু দিলাম।
ওয়াক থু! মেয়েটা দাত ব্লাশ করে না। গন্ধ 🤧। তারপর ও দেখি জ্ঞান ফিরে না। বইতে লেখা ছিল ন্যাংটা করে হাত পা মালিশ করো। এখন মেয়েটা থ্রিপিছ পড়ে আছে। আমি জামা খুলে ফেললাম। ব্রা খুলতে যাব। অমন সময় একলোক দেখি আমার পেছনে দাড়িয়ে আছে।
তারপর আমার শার্টের কলার ধরে ফেলল। তারপর পুলিশকে কল দিল। মেয়েটাকে হাসপাতালে নেওয়া হলো আর আমাকে জেলখানায়। আমি এখন ধর্ষণের আসামী।
Moral: উপকারকে জেলখানায় খায়।
রুদ্র সিয়াম