
মনুষ্যত্ব
- তন্ময় দত্ত মিশু
ছোট্ট করে এঁটে দেখো, বুক ফুলিয়ে হেঁটো
নজর দিয়ো কালো মানিক, আমায় যদি দেখো।
হাতের মোয়া হাত ধরেছে, মিষ্টি মধুর গন্ধে,
দেখেতে থাকি কবিতারা কেমনে আঁটে ছন্দে।
ভেঙ্গেচুরে নিজেই গিয়ে নিজের কাঁধে তুলি,
অল্পভাসীর স্বল্পভাষায় অনেককিছুই বুঝি।
আসছে দেখো ওদিক ফিরে ঝুলি বোঝাই কাঁধে,
গল্পকারের গল্প হয়ে গল্প বলি নিজে।
হাসতে পারি হাসাতে পারি যখন তখন দুলি,
গানের হাওয়ায় গান ধরেছি কেমনে কথা বলি।
মনের কথা শুনবে যে জন সে জন কোথায় জানি,
হারিয়ে নয় লুকিয়ে নয় কোথায় গেলে তুমি।
আঁধার কাঁটে আলো আসে ফিনিক জুড়ায় বুকে,
চাঁদনি রাতে চাঁদের সাথে নেশার কাঠি ফুঁকে।
নতুন বইয়ের গন্ধ ভুলি আবার যেদিন এসো,
সঙ্গে করে নতুন খামে, আমায় নিয়ে বসো।
ঠোঁটের কাছে ঠোঁট রেখেছি, জাপটে আমায় ধরো,
অনাকাঙ্ক্ষিত যৌবনে তুমি, ভুলো মনা হয়ো।
আমি পরের জন্মে মানিনা, আমি ধর্মে বিশ্বাস রাখি না,
আমি মানুষ হয়ে মনুষ্যত্ব অন্য কোথাও খুজি না।
রাস্তায় গিয়ে শার্টের বোতাম খুলে, বুক ফুলিয়ে হাঁটি,
ভালো নই, বখাটে আমি, মানুষের মুখে শুনি।
নিস্তব্দ রাতে ডাকাতের হাতে, মার খেয়ে আমি সারা,
কার আছে বলো শোনার সময়, রটিয়ে দেবে যা তা।
কার আছে বলো শোনার সময়, রটিয়ে দেবে যা তা
কার আছে বলো শোনার সময়, রটিয়ে দেবে যা তা।