‘সংগ্রাম’ কবিতাটি মূলত একটি জাগরণের কবিতা। সমাজে বিরাজমান নানা অসংগতি, বঞ্চনা ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়ে একটি সুন্দর, ঐক্যবদ্ধ ও উন্নত সমাজ গড়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত হয়েছে এই কবিতায়।
নিচে কবিতাটির বিস্তারিত ব্যাখ্যা তুলে ধরা হলো:
মূলভাব
কবিতাটির মূল উপজীব্য হলো অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ এবং নিজেদের অধিকার আদায়ের জন্য নিরলস প্রচেষ্টা বা সংগ্রাম। কবি এখানে কেবল ধ্বংসাত্মক বা নেতিবাচক বিষয়ের বিরুদ্ধেই সংগ্রামের কথা বলেননি, বরং উন্নয়ন, সম্প্রীতি এবং ঐক্য গড়ার মতো ইতিবাচক লক্ষ্য অর্জনের জন্যও সংগ্রামের ডাক দিয়েছেন।
প্রথম স্তবক: অধিকার ও সত্যের পথে অবিচল থাকার শপথ
কবিতার শুরুতেই কবি সবাইকে সংগ্রামের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, মানুষ আর না খেয়ে বা না ঘুমিয়ে বঞ্চনার শিকার হয়ে থাকবে না। সত্যের পথে চলতে গিয়ে যত বাধাই আসুক না কেন, কেউ আর পিছপা হবে না। নিজেদের অধিকার আদায়ের এই সংগ্রাম এখন থেকে চিরকাল অম্লান বা অক্ষয় হয়ে থাকবে।