মানুষের ইতিহাসে এমন কিছু স্বপ্ন রয়েছে, যেগুলো একসময় অসম্ভব বলে মনে হলেও জ্ঞান, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অগ্রগতিতে বাস্তবে রূপ নিয়েছে। আকাশে পাখির মতো উড়ে বেড়ানো, সমুদ্রের গভীরে অনুসন্ধান করা কিংবা পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে কয়েক ঘণ্টায় পৌঁছে যাওয়া—একসময় এসবই মানুষের কল্পনার অংশ ছিল। কিন্তু মানুষের কৌতূহল পৃথিবীর সীমানায় থেমে থাকেনি। রাতের আকাশে চাঁদ, গ্রহ ও নক্ষত্রের দিকে তাকিয়ে মানুষ বহু প্রাচীনকাল থেকেই জানতে চেয়েছে, ওই দূরবর্তী জগতে কী রয়েছে এবং সেখানে পৌঁছানো সম্ভব কি না। আধুনিক মহাকাশযুগের সূচনা সেই দীর্ঘ কৌতূহলের এক ঐতিহাসিক পরিণতি। আজ মানুষ পৃথিবীর কক্ষপথে গবেষণাগার স্থাপন করেছে, চাঁদে পা রেখেছে, মঙ্গল গ্রহে রোবট পাঠিয়েছে, বৃহস্পতির উপগ্রহগুলোর বরফময় জগৎ অনুসন্ধানের প্রস্তুতি নিয়েছে এবং সৌরজগতের সীমানার বাইরে মহাকাশযান পাঠিয়েছে। এসব অভিযানের প্রতিটি পদক্ষেপ মানবসভ্যতার জ্ঞানভান্ডারকে সমৃদ্ধ করেছে। একই সঙ্গে এগুলো আমাদের সামনে নতুন প্রশ্ন তুলেছে—মানুষ কি একদিন পৃথিবীর বাইরে স্থায়ীভাবে বসবাস করতে পারবে? অন্য কোনো গ্রহে কি বৈজ্ঞানিক ঘাঁটি তৈরি হবে? আর মহাকাশে ছড়িয়ে পড়া কি মানবসভ্যতার ভবিষ্যৎ রক্ষার একটি উপায় হতে পারে?
Keep reading
You reached a premium chapter. Support এম মাহফুজ সরকার to read the rest of অধ্যায় ২০ .
Conversation
(0)Log in to join the conversation.
No comments on this chapter yet.