রাতের আকাশে আমরা যখন কোনো দূরবর্তী ছায়াপথের দিকে তাকাই, তখন শুধু একটি আলোকিত মহাজাগতিক বস্তু দেখি না; আমরা মহাবিশ্বের অতীতের একটি দৃশ্যও দেখতে পাই। সেই ছায়াপথ থেকে আলো আমাদের কাছে পৌঁছাতে লক্ষ লক্ষ, কোটি কোটি, এমনকি শত শত কোটি বছর সময় নিতে পারে। এই দীর্ঘ যাত্রার সময় মহাবিশ্ব নিজেই পরিবর্তিত হয়েছে। ছায়াপথগুলোর মধ্যবর্তী স্থান প্রসারিত হয়েছে, আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য প্রসারিত হয়েছে এবং মহাবিশ্বের সামগ্রিক ঘনত্ব ও তাপমাত্রা বদলে গেছে। আধুনিক মহাকাশবিজ্ঞানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার হলো—মহাবিশ্ব স্থির নয়; বৃহৎ পরিসরে এটি প্রসারিত হচ্ছে। এই প্রসারণের অর্থ শুধু ছায়াপথগুলো একে অপরের কাছ থেকে দূরে সরে যাচ্ছে, এমন নয়; বরং বৃহৎ মহাজাগতিক পরিসরে তাদের মধ্যবর্তী স্থান নিজেই প্রসারিত হচ্ছে। মহাবিশ্বের এই গতিশীল প্রকৃতি বুঝতে হলে আমাদের জানতে হবে হাবল ধ্রুবক কী, ছায়াপথের দূরত্ব কীভাবে মাপা হয়, আলোর লোহিত সরণ কীভাবে মহাজাগতিক ইতিহাসের তথ্য বহন করে এবং কেন বর্তমান প্রসারণের হার নিয়ে বিজ্ঞানীদের মধ্যে এখনো গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন রয়েছে।
Keep reading
You reached a premium chapter. Support এম মাহফুজ সরকার to read the rest of অধ্যায় ২৪.
Conversation
(0)Log in to join the conversation.
No comments on this chapter yet.