মহাবিশ্বের গভীর অন্ধকারে অসংখ্য আলোকিত দ্বীপ ছড়িয়ে রয়েছে। প্রতিটি দ্বীপে থাকতে পারে কোটি কোটি কিংবা শত শত কোটি নক্ষত্র, গ্রহ, গ্যাসের মেঘ, মহাজাগতিক ধূলিকণা এবং অদৃশ্য পদার্থের বিশাল কাঠামো। এই বিশাল নক্ষত্রসমাবেশগুলোকেই বলা হয় ছায়াপথ বা গ্যালাক্সি (Galaxy)। আমাদের সূর্য, পৃথিবী এবং সৌরজগতের অন্যান্য গ্রহ যে ছায়াপথে অবস্থান করছে, তার নাম আকাশগঙ্গা বা মিল্কিওয়ে। রাতের আকাশে পরিষ্কার অন্ধকার পরিবেশে আকাশগঙ্গাকে একটি অস্পষ্ট আলোকিত ফিতার মতো দেখা যেতে পারে। প্রাচীন মানুষ এই আলোকপথকে ঘিরে নানা পৌরাণিক কাহিনি তৈরি করেছিল। কিন্তু আধুনিক দূরবীক্ষণযন্ত্রের সাহায্যে আমরা জানতে পেরেছি, ওই আলো আসলে আমাদের ছায়াপথের অসংখ্য দূরবর্তী নক্ষত্রের সম্মিলিত আলো। ছায়াপথের বিস্তৃতি এত বিশাল যে আলোর গতিতে চললেও এর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে যেতে কয়েক দশ হাজার বছর লাগতে পারে। আমাদের আকাশগঙ্গার ব্যাস প্রায় এক লাখ আলোকবর্ষের কাছাকাছি, যদিও এর বাইরের ক্ষীণ অঞ্চল এবং গ্যাসীয় বিস্তৃতির সীমা নির্ধারণের পদ্ধতি অনুসারে এই পরিমাপ পরিবর্তিত হতে পারে। এই বিশাল কাঠামোর জন্ম কীভাবে হলো, ছায়াপথের নক্ষত্রগুলো কোথা থেকে এলো এবং কোটি কোটি বছর ধরে এসব নক্ষত্রনগরী কীভাবে বদলে যাচ্ছে—এই প্রশ্নগুলোর উত্তর খুঁজতে বিজ্ঞানীরা
Keep reading
You reached a premium chapter. Support এম মাহফুজ সরকার to read the rest of অধ্যায় ২২ .
Conversation
(0)Log in to join the conversation.
No comments on this chapter yet.