চট্টগ্রামের ভাষায় একটা কথা আছে ‘‘বিলেইর ভাগ্যে চিক্কে চিরি পড়ে’’ অর্থাৎ, বিড়ালের ভাগ্যে মাচাতে কিছু রাখা হলে সেটা ছিঁড়ে পড়ে। তদ্রূপ জুলাই অভ্যুত্থান। এই অভ্যুত্থানে বাংলাদেশের এমন কোনো লোক নেই রাস্তায় বের হয়নি। কেউ বের না হলেও অন্তত তামাশা দেখাতে হলেও বের হয়েছে। তাদেরও গণ-অভ্যুত্থানে সামিল করতে হয়—হবে। কারণ, খেলার মাঠে দর্শক যত বেশি দেখা দেয়, খেলোয়ারের উৎসাহ-উদ্দীপনা তত বেড়ে ওঠে। অন্যদিকে সমুদ্রের ঢেউ যত বেশি বড় দেখা দেবে, তত বেশি জাহাজির মনে ভয়ভীতির সঞ্চার হবে। এই অভ্যুত্থানে কারও হয়েছে পৌষ মাস, কারও হয়েছে সর্বনাশ। দুই-চার-দশ হাজারেও কিন্তু হাসিনা সরকারকে হটানো সম্ভব ছিল না। ছিল কি? মোটেই না। সেখানে লাভবান হয়েছে কে? মুষ্ঠিমেয় দুই-চার-দশ জন? বাকিরা খালি হাত—না-টিংটিং। কোনো লাভ বা লোকসান কিছুই নেই তাদের। বাংলাদেশ যেমন ছিল তেমন চলেছে—চলছে। ওই দিনগুলোতে এক টাকার উপকারও দেশের হয়নি। হয়েছে? (এমন কি অঙ্গহানি যারা করেছে তারাও কোনো লাভবান হয়নি! অথচ হওয়ার কথা ছিল এদের। কিন্তু তারা অন্ধকারে। কারণ এদের নিয়ে মিডিয়া মাথা ঘামায়নি। মাইক যাদের সামনে ধরা হচ্ছে তারাই বারবার মানুষের নজরে ওঠে এসেছে) বরংচে আইনকানুনের আরও অবনতি হয়েছে। ভাঙচুরে দেশ পঞ্চাশ বছরের পিছে চলে গেছে। গেছে কি না? এই দায়ভার কে নেবে? দেশ চুলোয় গেলে যাক, ক্ষতি কার? যে যার আখের পেলে হলো। আমজনতার ভালোর চিন্তা করতে কোনো ফেরেশতা বঙ্গদেশে নাজিল হবে না। কোনো দরদবান শাসকও আসবে না এদেশে, সোনার ফসল ফলাতে। এই কল্পনা কেউ করলে মারাত্মক ভুল। তবু যেকালে যেই সরকারই আসুক-না কেন, সরকারের দায়িত্ব যেমন জনগণের জানমাল রক্ষা করা, তেমনি সরকারকে সহযোগিতা করাও জনগণের কর্তব্য। তবেই একটা দেশ উন্নতির দিকে যেতে পারে। এখন আমাদের রাজনীতি চলছে চেয়ারের দৌড়ে! টকশোর জোরে! বকাবকির চিৎকারে! যার যত চিৎকার ও বকাবকি চলছে সে তত বড় নেতা! কাউকে চেয়ারে বসাতে আমার এত পাগলামি! এই বেলার শেষ কবে? শেষ নেই! এই জ্ঞানের বোধ কবে? বোধ নেই! নিজের ভালো পাগলেও বুঝে? বুঝে কই! সবাই অন্ধকারকে বরণ করে দিনের আলোকে গামছা দিয়ে ঢাকতে দেখি!
এটা সত্য “খালি কলসি বাজে বেশি” এই খালি হাতে বাঘ মারার ময়দানে আল্লাহয় একটা মুখ দিলেই হয়। তার যোগ্যতার কোনো দরকার নেই। আমরা (আম...না) আবালেরা মনে করি তাকে সাক্ষাৎ মহাজ্ঞানী! এই মাঠে এটা স্বাভাবিক, যে লাজলজ্জা ত্যাগ করে তিড়িং-বিড়িং করে এবং পটাংপটাং মাতে—অর্থাৎ (বাচাল) সে-ই প্রচারিত হয় বেশি ও লাভবান হয় বেশি। আর এক-আধটু ইংলিশ প্রয়োগ করতে পারলে তো কথাই নেই, হয়েই গেল—বড় স্মার্ট। বিপ্লবে লেনিন। রাজনীতির মাঠে ট্রাম কিংবা পুতিন। আর এটার সুযোগ করে দিচ্ছি আমরা টনটনা কিছু তেল মারা জনগণ আর কিছু কাণ্ডজ্ঞানহীন মিডিয়া যেখানে-সেখানে সাক্ষাতের মাইক ধরে ধরে ও টকশোতে ডেকে ডেকে আজাড়ে কথার গপমারা। সেই সুযোগে ‘‘কী হনু রে’’ মনে করে মুখে যা আসে তা বাংলিশে গিটপিট-গিটপিট বকতে থাকে। আর আমরা আবাল বাঙাল তা মজা করে করে সাদরে গিলতে থাকি! লাইক-কমেন্ট-শেয়ারের বানে ভাসায়! শেয়ার কোনটা করতে হবে, রিয়েক্ট কোথায় কোনটা দিতে হবে তাও জানা নেই। মন্তব্য ‘আলহামদুলিল্লাহ’ ‘মাশাল্লাহ’ ‘সুবহানাল্লাহ’ ‘আমিন’ ‘চুম্মা-আমিন’ এসবের বন্যা তো আছেই। বাঙালি আবেগী জাতি ঠিকই তবে তেল মারাতেও মাহির। নিজে কিছু করতে পারে না, কেউ কিছু করলে হয় তো খারাপ চোখে দেখবে, খারাপ সমালোচনা করবে, নাহয় তো পাম দিয়ে দিয়ে এমনভাবে ফোলাবে—যতক্ষণ-না সে বোমার মতো না ফুটে। আর কিছু না, বেশিরভাগ আছি হুজুগি। একবারও চিন্তা করি না এখানে আমার লাভ কী? জানি না! কেউ যখন ডাক দেয়, খেয়ে-না-খেয়ে পিরের মতো মেনে ও মনে করে রাস্তায় আন্দোলনে ঝাপিয়ে পড়ি! আর পুলিশ-মিলিটারির গুলি খেয়ে চিৎপটাং হয়ে মরে থাকি! মরছি কেন? জানি না! এটাই আমার শহিদের মৃত্যু। এরচেয়ে বেশি আমার আর দরকার কী? জান্নাতে গড়গড়িয়ে চলে যেতে পারি! একটুও ভাবি না—ভাবছি না—করছি কী? কার জন্যে? কার ভালো? কার লাভ? জানি না! কার থেকে কী উদ্ধার করতে আমার রক্তদান? জানি না! এই কেমন স্বাধীনতা? জানি না! কীসের স্বাধীনতা? জানি না! কার থেকে মুক্তি চাচ্ছি আমি? জানি না! কে আমার রাজত্ব বা স্বাধীনতা কেড়ে নিচ্ছে? জানি না! অন্যকে চেয়ারে বসানোর জন্যে আমি পঙ্গু! কেন? জানি না! হা-হা-হা! আছি আমরণ বাঙাল হয়ে! থাকব আমরণ বাঙাল হয়ে! আমরা আবেগী জাতি! বিবেকের দরকার কী?
তারপর নেতা বসে চেয়ারে। একটু সমবেদনা, একটু আফসোস, একটু লোকদেখানো চোখের পানি। ‘‘আমার ভাইয়ের রক্ত বৃথা যাবে না—যেতে দেবো না’’ সবাই একবাক্যে ‘হাঁ হাঁ হাঁ’ ছাগলের তিনটা বাচ্চা—দুইটা খেয়ে নাচ্ছে, একটা না খেয়ে নাচ্ছে। নাচ্ছি কেন? জানি না! তারপর চার দিন শেষে ঠিকই সব বৃথা যায়। মরছি কেন জানি না। মারছি কেন জানি না। আমি আবাল বুঝি না! বুঝি না কেরে? সব ভুলে একদিন নেতা আরামে ঘুমায় তেতলায়! আমি আব্দুলগণি পাগলা সেই-ই যেই কাঙাল ঘুরছি পথে পথে!
এখন দেখছি বায়ান্ন-একাত্তর থেকেও জুলাই বড়! এটার পুঁজি কিন্তু খুবই লাভজনক। বিনা পুঁজিতে সওদাগরি। হায়! আমার যদি এমন একটা পুঁজি থাকত তা হলে আমিও কিবা হতে পারতাম দিনদুনিয়ার অধিকারী। কিনে নিতে পারতাম অন্তত একটা হলেও জান্নাতের বাড়ি। অথচ বায়ান্ন ও একাত্তর বংলাদেশের একটা করুণ ইতিহাস, কান্নার ইতিহাস এবং অহংকারের ইতিহাস। এটা মুছে যারা জুলাই বড় দেখছে, তা হলে বুঝতে হবে তাদের অভিসন্ধি কী এবং তারা কোন মনমানসিকতার লোক? এদের যারা ভালোবাসবে, সাপোর্ট করবে তাদেরকেও চিহ্নিত করতে হবে; অদূর ভবিষ্যতে দেশ কী হতে যাচ্ছে এবং কী হতে পারে? কেননা আঘাতের দাগ যারা মুছে ফেলতে চায়, বুঝতে হবে তারাই আঘাতকারী। তাদের দুরভিসন্ধি আছে।
বিড়ালের ভাগ্যে আঙুলফুলে কলাগাছ যাদের, তাদের থলি এখনো ভরছে না! এটা ভরনের ফন্দির নামই হচ্ছে ‘‘জুলাই সনদ’’ কী? মনে হয়? মনে মোটেও হয় না। পৃথিবীতে অসংখ্য বিপ্লবের ঘটনা আছে। এত এতই শর্টকাটে—দুই-চার-পাঁচশ রক্তের বিনিময়ে এমন স্বাধীনতা হয়েছে? দেখেছেন? ক্ষণিকের অভ্যুত্থানকে ঘিরে যারা ‘মহাবিপ্লব’ ‘একমাত্র স্বাধীনতা’ ‘ইনসাফ’ ‘ইনকিলাব’ ‘আজাদি’ ‘গোলামি’ ‘জুলুম’ ‘মজলুম’ ইত্যাদি। পরের ধনে পোদ্দারির পুঁজি নিয়ে ব্যবসা করছে, তা হলে বুঝতে হবে থলি এখনো অপূর্ণ। তিন দিন রাজনীতি না করে যেদেশে পাঁচ দিনে এমপি-মিনিস্টার হওয়া যায় সেদেশ আর যাই হোক-না কেন, অর্থনীতি চাঙ্গা হবে না এবং জনসাধারণের ভাগ্যও ভালো হবে না। কারণ, দেখা গেছে, তিরিশ বছর রাজনীতি করে ও তিরিশ হাজার রাষ্ট্রবিজ্ঞানের বই পড়েও সহজে ভালো রাজনীতিবিদ হতে পারে না। রাজনীতি ও নীতি কখনো এক নয়। হরহামেশা বোঝা চাই ‘রাজ’ থেকে ‘নীতি’ অনেক দূরে। এই তিক্ত সত্য আমরা বাঙালেরা বুঝি না কখনো এবং বুঝতে চাইয়ো না কখনো। কারণ ‘‘হামবড়া হামবড়া...হামসে কোন দুনিয়া’’ চট্টগ্রামে আরেকটা কথা আছে ‘‘হক কথার ভাত নাই’’
‘চেয়ার’ ‘টেবিল’ ‘আম’ ‘জাম’ একটাও বাংলা শব্দ না এবং এধরনের নিত্য ব্যবহারিত হাজার হাজার মিশ্র শব্দ দিয়ে সমৃদ্ধ ভাষা বাংলা। এখন এধরনের নিত্য ব্যবহারিত শব্দের উপমা যারা টানছে বা দিচ্ছে, তারা ‘ইনসাফ’ ‘আজাদি’ ‘ইনকিলাব’ ‘জুলুম’ ‘মজলুম’ পূর্বের জীবনে কয়বার আওড়াছে বা বলেছে? তুমি পাকিস্তানপ্রীতি রাখো বা ভারতপ্রীতি, কারও সমস্যাও নেই এবং ক্ষতিও নেই। কিন্তু ক্ষতি ও সমস্যা, মহান ইতিহাসকে খাটো করে নগণ্য ইতিহাসের প্রচারে ও প্রসারে নামবে তখন আমজনতার আওয়াজ ওঠবেই। এই শব্দগুলো খাস কাদের সম্পদ আজ? আমাদের? রাষ্ট্রের গদিতে বসতে তোমার এতই তালবাহানা কেন রে ভাই? কখনো লাঠির আশ্রয়! কখনো দাঙ্গার আশ্রয়! কখনো হত্যার আশ্রয়! কখনো মিথ্যার আশ্রয়! কখনো শব্দের আশ্রয়! এত তালবাহানা কেন? ইসলাম প্রচার-প্রসারে গদিই কি মেইন? রাষ্ট্রকে একান্ত ইসলামিক বানাতে হবে? কেন? আগে থেকে রাষ্ট্র যেভাবে চলে আসছে এবং চলছে তাতে কার কী ক্ষতি হয়েছে? কোন ধর্মের ক্ষতি হয়েছে? ধর্মকর্ম ও মসজিদ-মাদ্রাসা গড়তে তোমাকে আটকালো কে? দেশ ধর্মের গতিতে কি চলতে পারে? দেশে অধর্মচারী কে? বেপর্দায় চলছে কে? তার হিসাব তো একমাত্র আল্লাহয় নেবে। তার পরিবারের কর্তাদের দায়িত্ব এগুলো দেখভালের। তোমাকে বিচার করার এই ক্ষমতা দিলো কে? কাউকে কবর থেকে তুলে জ্বালিয়ে দেবে! কাউকে ভণ্ড বলে কোপাবে! কাউকে অধর্মী বা নাস্তিক বলে জানে মারবে! কেউ তোমার বিপক্ষে গেলে বা বললে—বলতেই পারে—তাকে দিনদুপুরে হত্যা করবে! এই কট্টরতা কেন? ইসলাম তো এসেছে শান্তি কায়েম করতে! প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ভালোবাসা ও শান্তি বিলাতে! তা হলে? ইসলামকে কলঙ্কিত করছে কে? কারা? হিসাব কষে দেখেছ? ‘মার’ ‘মার’ ‘কাট’ ‘কাট’ কোন ইসলামের বাণী? মাজারে গেলে বলবে ‘পূজারি’! কবরস্থানে দাঁড়ালে বলবে ‘বেদাত’? নবিরাসুল ও ওলি-আউলিয়াদের ওসিলা দিয়ে দোয়া করলে বলবে ‘শেরেক’! এত এত ফেরকার মধ্যে কোনটা সঠিক পথ বা দল বলো তো দেখি? ‘‘তোমাদের ধর্ম তোমাদের আমাদের ধর্ম আমাদের’’ মানো না কেন? আল্লাহ যেখানে বলছে “দুনিয়াতে তোমরা বিপর্যয় সৃষ্টি করো না’’ তা হলে? ‘‘দিনকে আজ পরিপূর্ণ করে দিলাম’’ ধর্মের অর্থ কী? দিনকে আল্লাহ স্বয়ং পরিপূর্ণ করলে অপূর্ণ কী? তোমরা কী পূর্ণ করতে মাঠে-ময়দানে দৌড়াচ্ছ? তোমাদের এত এত দায়িত্ব বেড়ে গেল কেন? আল্লাহ বলছেন কোরানকে সহজ করে নাজিল করেছেন। তা হলে তোমরা কেন কঠিন করছ? সকল কিছুর মালিক তো আল্লাহ। বিচারকও আল্লাহ। কাউকে ইমান আনার লক্ষ্যে আল্লাহ সরাসরি নবিকে নিষেধ করছেন, পীড়াপীড়ি না করতে। সেখানে? “দিনে জোরজবরদস্তি নেই” ছাড়ো না কেন? ইতিহাস বিকৃত করে মানুষকে আর কত অনুসারী বানাবে? “হত্যার চেয়ে ফেতনা মারাত্মক” সারা দিন দিনধর্মের কাজ করে, নামাজ পড়ে, রোজা রেখে অধর্মের কাজ—খুনখারাবি করতে এক মিনিট কুণ্ঠাবোধ করো না! এই কেমন কর্ম? ধর্ম কী বলে? পুরো জাতিকে হত্যা করা হয়নি? মানুষ ইসলামের প্রতি আঙুল ওঠাবে না? ঘৃণার চোখে মুসলমানকে দেখবে না? নবির দেশ থেকেও কি বাংলাদেশের ইসলাম বড়? তোমরা এত নির্দয় কেন রে ভাই? এই অধমের কাজ করে কি ধার্মিক হওয়া যায়? এটা কোন জান্নাতের পথ? জান্নাত কি এতই সহজ? একজন জাহিল যেকাজ করতে পারে না, একজন মুসলমান হয়ে সেকাজ তোমরা করছ! এটা কোন জিহাদ? কোন ইসলাম? কাঁধ বদলে তো ইসলাম পৃথিবীতে অবতরণ করেনি। সরাসরি এসেছে।
হুমায়ূন আজাদ মিথ্যা বলেনি “সবকিছু নষ্টদের দখলে যাবে” এটাই তো প্রমাণ হচ্ছে! আমরা বেচারাকে ভুল বুঝেছিলাম। ‘মুক্তি’ ‘বিপ্লব’ ‘বিদ্রোহ’ ‘স্বাধীনতা’ এই শব্দগুলো কি এতই নিকৃষ্ট? হিন্দুয়ানি শব্দ? নাকি মান চলে যাবে এই শব্দগুলোর উচ্চারণে? নাকি কোনো কুমতলব? ধারদেনা ঠিক হলেও পরের ধনে পোদ্দারি মোটেও ঠিক না। একটি শব্দ কিন্তু বোমার চেয়েও বেশি ক্ষতি কারক হতে পারে। বাংলার ইতিহাস নিয়ে তোমাদের এত বিরক্তি কেন? বায়ান্ন-একাত্তর মুজিব-পরিবারের নিজস্ব সম্পত্তি নয়। দেশের প্রতি, মানুষের প্রতি এত বিদ্বেষ কেন? এক জনের দোষে পুরো পরিবার দুষ্ট কেন হবে? মানুষের পার্থক্য কী? মায়ের কোলে বসে মাকে লাথি! এটা মাতৃভূমির সাথে বেইমানি! কয়জন বাঙাল বুঝে? তোমাদের মতলব। তাই অনুসারীও বেশি। দাজ্জালের কপালে কাফের লেখা দেখবে মুমিনে, তাই সে ইমানও আনবে না। অন্যথায় তার অনুসারী কিন্তু সবাই কাফের-মুশরিক না, দুর্বল ইমানের মুসলমান বেশি। যুক্তি কাড়া করে ভিত্তি তৈরি করা যায় কিন্তু মুক্তি মিলে না। পত্রিকা ‘আজাদি’ ইনকিলাব’ ‘ইত্তেফাক’ কোনো স্লোগান না, এটা প্রতিষ্ঠান; প্রতিষ্ঠান—স্থান। স্থানের সাথে স্লোগান যায় না। ‘দুরভিসন্ধি’ নিয়ে পথ চললে গন্তব্য মিলে না।
-আযাহা সুলতান
68
View