রতন কাঁচা তরকারির দোকানে বেচাকেনা করছে। একজন মেয়ে কাস্টমার এসে জিজ্ঞেস করলো
,, ভাইয়া, মরিচ কতো টাকা কেজি?,,
উত্তরে রতন মেয়েটির দিকে তাকিয়ে বললো
,, নেন। পঞ্চাশ টাকা কেজি,,
মেয়েটি তখোন রতনের চোখে এমনভাবে চোখ রাখলো রতন বিমূর্ত হয়ে গেলো। কয়েক মূহুর্ত স্থায়ী তাকিয়ে রইলো। মেয়েটির ঠোঁটে হাসি ফুটিয়ে বললো
,, কম নিবেন না?,,
রতন দশ বছর হলো এই দোকান করে গোয়ালন্দ তরকারি বাজারে হাটের দিন।সপ্তাহে দুই দিন হাট হয়। রতন দুই দিন গোয়ালন্দ হাট দুই দিন কাটাখালী হাট দুই দিন খানখানাপুর হাট করে। আর এক দিন বাড়িতে থাকে। কতো রকমের মেয়ে মানুষের কাছে তরকারি বিক্রি করে। কিন্তু এই মেয়েটির মতো এতো স্বেচ্ছাসেবী মানসিকতা পূর্ণ মেয়ে দেখেনি কোন দিন। এসব ভাবতে ভাবতে অন্যমনস্ক হয়ে বলে
,, কতো দিবেন??
ঝটপট মেয়েটি উত্তর দিলো
,, আমি একশো টাকা কেজি দেবো। এক কেজি দেন।,,
মাথায় ঘোনকালো লম্বা চুল। জোড়া ভ্রু হাতে দুই হাতে দুই গাছা সোনার চুড়ি। ঠোটে হালকা লিপস্টিক মাখা। পড়নে মোটামুটি দামের স্যালোয়ার কামিজ। রতন মেয়েটির বয়েস অনুমান করে বিশ বাইশ হয়ে। চেহারায় তরুণির ছাপ রয়েছে এখনো। তার কথা শুনে রতনে চিন্তা গুলিয়ে যায়। ভাবে সে কি পাগল? না কি তার সাথে মজা করছে? হিসাব