Posts

কবিতা

গণরায়

May 17, 2026

আযাহা সুলতান

Original Author আযাহা সুলতান

47
View

আর কত? 
আর কত লাশ? সন্তানের লাশ বহন করবে বাবা-মায়? 
আর কত লাশ গর্ভে ধারণ করতে পারে দেশ? আর কত? 
আর কত মজলুমের অশ্রু ঝরলে ব্যথিত হবে আকাশ? ব্যথিত হবে বাতাস?
আর কত অসহায়ের মাতমে ভারী হলে কাঁপবে জমিন? কাঁপবে জীবন? 
আর কত? আর কত? নীরব ও নীরবতায় কাটবে সুধী ও সুখীজন?
আর কত মানুষ মরলে তোমার ও তোমাদের আফসোস হবে জনাব? 
আর কত হিংস্র আক্রমণ? ভাঙচুর? হত্যা? জ্বালাওপোড়াও? আর কত হবে? 
এত হিংসুটে কেন মহোদয়? এদেশ কি একা তোমাদের? এদেশের নাগরিক কি তারা নয়? 
চিন্তা নেই, সময় আসছে—আসবে—প্রকৃতি ফেরত দেয় সবকিছু

গণশত্রু?
অবশ্যই, তোমরা দেশের শত্রু! দশের শত্রু! তোমরা গণশত্রু! গণহত্যাকারী! 
তোমাদের বিচার করবে আগামী, ইতিহাস লিখবে ঐতিহাসিক পটভূমি 
আজকের পরিস্থিতি তোমাদের সহায়ক হলেও কালকের নীতিনির্ধারক তোমাদের ফাঁসি দেবে 
মনে রেখো, জেনো রেখো, কর্মফল তৎক্ষণাৎ মিলে না 
যেমন ইতিহাসও রচিত হয় না তৎক্ষণাৎ—হয় কি? 
বাস্তবতা খুবই কঠিন—মানুষ মরণশীল হলেও মানুষের কর্মফল ধ্বংসপ্রাপ্ত নয়

দেশদ্রোহী? 
হাঁ, হাঁ, তুমি! তুমি! তোমরা! তোমরা সকলেই! 
তোমাদের কঠিন বিচার হবে! কী? হবে না কি মনে করো? 
রাজনীতির ময়দানে অবাধে দৌড়াতে পারলেও কেয়ামতের ময়দানে “হায় আমার কী হবে” 
“হায় আমার গতি কী” “ইয়া নাফসি” “ইয়া নাফসি” বলেও কথা আছে—তদ্রূপ—
কোনো ধর্মই অশান্তির কথা বলে না, কোনো ধর্মেই “মার মার” “কাট কাট” শব্দ নেই
ধর্মের কোনো লেবাসও নেই, লেবাসে মানুষ সাধুও নয়, শয়তানও ভালো লেবাসধারী হয়ে থাকে 
মুখোশের আড়ালে ধোঁকা দেয় যারা—তারা দেশদ্রোহী—তাদের গণরায়ে হত্যা করা শ্রেয় 
 

Comments

    Please login to post comment. Login