আমি ভালো হতে চেয়েছি—অনেক চেয়েছি
প্রকৃতির নির্মমতায় ভালো হতে দিলো না আমায়
পৃথিবীকে আপন করে নিতে চেয়েছি—খুব চেয়েছি
পৃথিবী আমাকে জীবন দেখিয়ে মৃত্যুকূপে দেয় ফেলি
মানুষ হয়েও বাঁচতে পারলাম না মানুষের মতো আর
বিশ্বাস করেছি যারে ঈশ্বরের মতো দেবতার রূপে প্রতারিত করে সে
সবকিছু ভুলে—প্রণয়িনীর কাছে চাইছি এই—এতটুকু শান্তি
বিষের ছোঁয়া অনুভব করেছি ভালোবাসার চুমে
আমার ভাগ্যদপ্তরের চ্যাপ্টারে লিখেনি বিধি মঙ্গল?
জীবনের জঙ্গলে মিলেছে তাই বিষবৃক্ষের ছায়া?
বেহদ্দ বোকা আমি—বুঝেছি ধরণিতে সব ফলবান গাছ!
কপালের লিখন খণ্ডানো যায় না? লেখনী ভেঙে অস্ত্র বানানো যায়?
আপন ভেবে যারেই জড়িয়ে ধরেছি গভীর আলিঙ্গনে
পিঠে মারতে ছুরি দ্বিধা করেনি সে আপনালির মাধ্যমে
বুঝেছি শেষে—বুকে টেনে নেওয়া যায় হৃদয়ের কাতারের শত্রুকে—
বন্ধু দূরে—পাশে স্থান দিতে নেই বিশ্বাসঘাতক বেইমান আপনজনকেও
ভাইয়ের বন্ধনের চেয়ে বড় কোনো বন্ধন নেই?
স্বার্থে বুঝে পাবে ভাইয়ের বন্ধন কী—কত প্রকার তবে
ভুলের থেকে শিক্ষা নিলে শিক্ষিত হওয়া যায় জীবনে?
বোকামির মতো ভুল করলে আফসোস থেকে যাবে মরেও