মুখোশের আড়ালে মুখোশ
মানুষ যখন জন্ম নেয়, তখন তার মুখে কোনো মুখোশ থাকে না। শিশু হাসে, কাঁদে, রাগ করে—সবকিছুই সরাসরি, কোনো হিসাব-নিকাশ ছাড়া। কিন্তু বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সমাজ তাকে শেখায় মুখোশ পরতে। প্রথমে ছোট মুখোশ—ভদ্রতার, শিষ্টার, ভালো ছেলে বা মেয়ে হওয়ার। তারপর ধীরে ধীরে বড় মুখোশ এসে পড়ে। রাজনীতির জগতে পৌঁছালে সেই মুখোশ আর সাধারণ থাকে না। সে হয়ে ওঠে বহুস্তরের, স্তরের ওপর স্তর, মুখোশের আড়ালে আরেক মুখোশ।
এই লেখা সেই মুখোশগুলোর কথা। শুধু একজন নেতার নয়, পুরো জাতির। যে জাতি প্রতিদিন নিজের মুখোশ বদলায়, আরেকজনের মুখোশের প্রশংসা করে, আবার নিজেও সেই একই খেলায় অংশ নেয়।
একজন নেতা উঠে দাঁড়ান মঞ্চে। মাইকে গলা কাঁপিয়ে বলেন, “আমি জনগণের সেবক। আমার কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থ নেই। দেশের মানুষের কষ্টই আমার কষ্ট।” হাত তুলে অঙ্গীকার করেন দারিদ্র্য দূর করবেন, দুর্নীতি শেষ করবেন, শিক্ষা-স্বাস্থ্য সবার জন্য নিশ্চিত করবেন। জনতা হাততালি দেয়। ক্যামেরা ধরে রাখে সেই মুহূর্ত। পরের দিন সংবাদপত্রের শিরোনাম হয়—‘জনগণের আশা জাগালেন নেতা’।
কিন্তু মঞ্চের পেছনে, যেখানে আলো পৌঁছায় না, সেখানে অন্য খেলা চলে। নেতা নিজে হাত নোংরা করেন না। তিনি শুধু ইশারা করেন। একজন অনুগত কর্মীকে ডেকে বলেন, “ঐ এলাকার টেন্ডারটা ওদের দিতে হবে। কথা দিয়েছি।” কর্মী বোঝে। টেন্ডার যায় নির্দিষ্ট ব্যক্তির কাছে। অপর একজনকে বলেন, “ঐ সাংবাদিকটা একটু বেশি লিখছে। ওর দিকে নজর রাখো।” নজর রাখা মানে শুধু নজর রাখা নয়। ফোন আসে, হুমকি আসে, কখনো চাকরি চলে যায়, কখনো পরিবারের ওপর চাপ পড়ে। নেতা নিজে কখনো ফোন করেন না। তিনি শুধু বলেন, “দেখো তো, কী করা যায়।” আর কাজ হয়ে যায়।
এভাবে নেতা নিজেকে পরিষ্কার রাখেন। তাঁর হাতে রক্ত লাগে না। অথচ রক্ত ঝরে। তাঁর নামে কোনো মামলা হয় না। অথচ মামলা হয় তাঁর অনুগতদের নামে। যখন কেউ ধরা পড়ে, নেতা মর্মাহত হয়ে বলেন, “আমি জানতাম না। এটা আমার নীতির বিরুদ্ধে। তদন্ত হোক, শাস্তি হোক।” জনগণ দেখে নেতা কত ন্যায়পরায়ণ। অথচ সবাই জানে, ওই অনুগত শুধু নির্দেশ পালন করেছিল।
এই খেলা শুধু একজন নেতার নয়। পুরো ব্যবস্থা এমনই। দলের ভেতরে যারা ক্ষমতার কাছাকাছি থাকেন, তাঁরা শিখে যান মুখোশ পরতে। বাইরে তাঁরা আদর্শের কথা বলেন। ভেতরে তাঁরা হিসাব করেন কে কত ভাগ পাবে, কে কোন পদ পাবে, কোন ঠিকাদারকে কোন প্রকল্প দেওয়া হবে। যারা এই হিসাব বোঝেন না, তাঁরা ধীরে ধীরে বাদ পড়ে যান। যারা বোঝেন, তাঁরা এগিয়ে যান। এভাবে দলের ভেতরেও এক ধরনের প্রাকৃতিক নির্বাচন চলে—যারা মুখোশ পরতে পারদর্শী, তাঁরাই টিকে থাকেন।
কিন্তু মুখোশ শুধু রাজনীতিবিদদের নয়। আমলাদেরও আছে। একজন সচিব বা ডিসি যখন জনগণের সামনে আসেন, তিনি বলেন, “আমরা নিয়ম মেনে চলি। কোনো চাপের কাছে মাথা নত করি না।” অথচ ফাইলে সই করার আগে তিনি জানেন কোন ফাইলটা আটকে রাখতে হবে, কোনটা দ্রুত পাস করতে হবে। ফোন আসে উপর মহল থেকে। তিনি সরাসরি অস্বীকার করেন না। তিনি বলেন, “দেখি, নিয়ম অনুযায়ী কী করা যায়।” তারপর নিয়মকে এমনভাবে ব্যবহার করেন যেন ইচ্ছার সঙ্গে মিলে যায়। নিয়ম থাকে, কিন্তু নিয়মের ব্যাখ্যা বদলে যায়। এভাবে আমলাও নিজেকে পরিষ্কার রাখেন। তিনি শুধু নিয়ম মেনেছেন। দোষ কার?
মিডিয়ারও মুখোশ আছে। একদল সাংবাদিক নেতার প্রশংসায় পঞ্চমুখ। আরেকদল সমালোচনায়। কিন্তু উভয়েরই পেছনে হিসাব থাকে। বিজ্ঞাপন, মালিকানার স্বার্থ, রাজনৈতিক সম্পর্ক, ভয়। যখন কোনো অনুসন্ধানী প্রতিবেদন বের হয়, তখন দেখা যায় সেটিও নির্বাচিত। কিছু বিষয় গভীরভাবে তোলা হয়, কিছু বিষয় এড়িয়ে যাওয়া হয়। যখন কোনো সাংবাদিক সত্যিই বিপজ্জনক সত্য তুলে ধরেন, তখন তাঁকে একা পড়ে যেতে হয়। প্রতিষ্ঠান তাঁকে রক্ষা করে না। কারণ প্রতিষ্ঠানেরও মুখোশ আছে—নিরপেক্ষতার মুখোশ।
সাধারণ মানুষও বাদ যায় না। আমরা যখন চা-এর দোকানে বা সামাজিক মাধ্যমে কথা বলি, তখন তীব্র সমালোচনা করি। বলি, “সব নেতাই চোর, সব দলই এক।” কিন্তু যখন নিজের এলাকায় কোনো উন্নয়ন কাজ হয়, যখন নিজের পরিচিত কেউ চাকরি পায়, যখন নিজের দল ক্ষমতায় থাকে, তখন আমরা নীরব থাকি বা সমর্থন জানাই। আমরাও মুখোশ পরি। বাইরে আদর্শের কথা বলি, ভেতরে সুবিধার হিসাব করি। ভোট দেওয়ার সময় আমরা বলি, “দেশের জন্য ভোট দিচ্ছি।” অথচ অনেক সময় ভোট যায় জাত-পাত, আত্মীয়তা, টাকা, বা প্রতিশোধের হিসাবে।
এই মুখোশের খেলা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে চলে আসছে। একসময় যারা বিপ্লবী ছিলেন, ক্ষমতায় গিয়ে তাঁরাও একই পথে হাঁটেন। যারা ক্ষমতার বাইরে থেকে ন্যায়ের কথা বলতেন, ক্ষমতায় গিয়ে তাঁরাও অন্যদের দিয়ে নোংরা কাজ করাতে শুরু করেন। কারণ ক্ষমতা এমন এক জিনিস যেটি ধীরে ধীরে মানুষকে বদলে দেয়। অথবা বলা যায়, ক্ষমতা মানুষের ভেতরের মুখোশকে বাইরে নিয়ে আসে।
একটা বাস্তব চিত্র ভাবা যাক। কোনো এলাকায় একটা বড় প্রকল্প হচ্ছে। নেতা উদ্বোধন করেন। বলেন, “এই প্রকল্প জনগণের জন্য। কেউ যদি দুর্নীতি করে, কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” প্রকল্পের টাকা ভাগাভাগি হয়। ঠিকাদার, স্থানীয় নেতা, আমলা, দলের কর্মী—সবাই অংশ নেয়। যখন কাজের মান খারাপ হয়, যখন টাকা মার খায়, তখন তদন্ত কমিটি গঠিত হয়। কমিটির সদস্যরাও জানেন সত্য কী। কিন্তু রিপোর্টে লেখা হয় “কিছু অনিয়ম হয়েছে, ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।” কেউ বড় শাস্তি পায় না। কারণ শাস্তি দিলে চেইন ভেঙে যাবে। চেইন ভাঙলে অনেকের মুখোশ খুলে যাবে।
আরেকটা চিত্র। কোনো আন্দোলন হয়। নেতা সমর্থন জানান। বলেন, “জনগণের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে আমরা সঙ্গে আছি।” আন্দোলন যখন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়, বা যখন ক্ষমতার স্বার্থের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হয়, তখন নেতা নীরব হয়ে যান। বা বলেন, “হিংসা আমরা সমর্থন করি না।” যারা রাস্তায় নেমেছিলেন, তাঁরা একা পড়ে যান। কেউ গ্রেপ্তার হন, কেউ চাকরি হারান, কেউ হতাশ হয়ে সরে যান। নেতা নিজের ভাবমূর্তি রক্ষা করেন। তিনি তো সহিংসতার বিপক্ষে ছিলেন।
এই খেলায় সবচেয়ে বিপজ্জনক জিনিস হলো—মানুষ ধীরে ধীরে অভ্যস্ত হয়ে যায়। তারা আর বিস্মিত হয় না। তারা বলে, “সব জায়গায়ই এমন হয়।” এই কথাটাই মুখোশের সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র। যখন মানুষ বিশ্বাস করে যে অন্য কোনো পথ নেই, তখন মুখোশ আরও মজবুত হয়। যারা মুখোশ খুলতে চায়, তাঁদেরকে বলা হয় অবাস্তব, আদর্শবাদী, বা উগ্র।
কিন্তু মুখোশ খোলা যায়। ইতিহাসে এমন উদাহরণ আছে। যখন কোনো সমাজ একসঙ্গে প্রশ্ন করতে শুরু করে, যখন গণমাধ্যম সত্যিই স্বাধীন হয়, যখন বিচারব্যবস্থা চাপের মুখেও সোজা থাকে, যখন সাধারণ মানুষ নিজের সুবিধার চেয়ে নীতিকে বেশি গুরুত্ব দেয়—তখন মুখোশ টিকতে পারে না। কিন্তু সেই পরিস্থিতি তৈরি করা সহজ নয়। কারণ মুখোশ পরার অভ্যাস গভীরে প্রোথিত।
নেতা নিজে খারাপ কাজ করেন না—এই কৌশলটা খুব কার্যকর। তিনি নীতির কথা বলেন, আদর্শের কথা বলেন। তাঁর অনুগতরা কাজ করেন। যখন সমস্যা হয়, অনুগতরাই দায় নেন। নেতা ক্ষমা চেয়ে নেন বা তদন্তের কথা বলেন। জনগণ দেখে নেতা ভালো মানুষ। এই ভালো মানুষের ভাবমূর্তি বজায় রাখতে গিয়ে পুরো ব্যবস্থা নোংরা হয়ে যায়। যারা নোংরা কাজ করেন, তাঁরা জানেন তাঁরা সুরক্ষিত। কারণ তাঁরা নেতার হয়ে কাজ করছেন। এভাবে একটা পুরো সংস্কৃতি তৈরি হয়—যেখানে দায়িত্ব এড়িয়ে চলা, অন্যের ঘাড়ে দোষ চাপানো, এবং নিজেকে পরিষ্কার রাখাই প্রধান দক্ষতা হয়ে ওঠে।
জাতির ভেতরেও এই সংস্কৃতি ছড়িয়ে পড়ে। শিক্ষক পরীক্ষায় নকল দেখলেও নীরব থাকেন, কারণ প্রশাসনের সঙ্গে সম্পর্ক নষ্ট করতে চান না। ডাক্তার অপ্রয়োজনীয় পরীক্ষা করান, কারণ হাসপাতালের মালিকের স্বার্থ। ব্যবসায়ী কর ফাঁকি দেন, কারণ সবাই দেয়। পুলিশ মামলায় চাপ দিলে মাথা নত করেন, কারণ উপর মহল। সবাই নিজের মুখোশ নিয়ে চলে। আর যখন কেউ একা সোজা পথে হাঁটতে চান, তখন তাঁকে একাই লড়তে হয়।
এই একাকিত্বই অনেককে ভাঙিয়ে দেয়। তাঁরা ভাবেন, “আমি একা কী করব?” তারপর তাঁরাও মুখোশ পরে নেন। এভাবে চক্র ঘুরতে থাকে।
তবুও আশা আছে। কারণ মানুষের ভেতরে একটা অংশ সবসময় মুখোশহীন থাকতে চায়। শিশুরা যেমন সরাসরি কথা বলে, তেমনই কিছু মানুষ বড় হয়েও সরাসরি থাকার চেষ্টা করেন। তাঁরা লেখেন, প্রশ্ন করেন, প্রতিবাদ করেন। তাঁদের কণ্ঠস্বর দুর্বল মনে হতে পারে, কিন্তু ইতিহাস দেখায় যে দুর্বল কণ্ঠস্বরও একসময় শক্তিশালী হয়ে ওঠে—যখন অনেক মানুষ একসঙ্গে সেই কণ্ঠে কণ্ঠ মেলায়।
মুখোশের আড়ালে মুখোশ—এই বাস্তবতা অস্বীকার করে লাভ নেই। কিন্তু স্বীকার করেও থেমে থাকা যায় না। প্রতিদিন ছোট ছোট সিদ্ধান্তে মুখোশ না পরার চেষ্টা করা যায়। মিথ্যা না বলা, অন্যায় দেখে নীরব না থাকা, নিজের সুবিধার জন্য অন্যকে ব্যবহার না করা। এই ছোট ছোট কাজগুলোই একদিন বড় পরিবর্তন আনতে পারে।
নেতা যখন মঞ্চে দাঁড়িয়ে জনগণের সেবক হওয়ার অঙ্গীকার করেন, তখন প্রশ্ন করা যায়—তাঁর অনুগতরা কী করছেন? তাঁর নামে কারা কী কাজ করছেন? যখন কোনো প্রকল্পের উদ্বোধন হয়, প্রশ্ন করা যায়—টাকা কোথায় গেল? কাজের মান কেমন? যখন কোনো তদন্ত কমিটি গঠিত হয়, প্রশ্ন করা যায়—রিপোর্ট কবে আসবে, এবং কী ব্যবস্থা নেওয়া হলো?
এই প্রশ্নগুলোই মুখোশের ওপর আঘাত। একবার নয়, বারবার। কারণ মুখোশ একবার খুলে গেলেই আবার পরানো যায়। কিন্তু যদি প্রশ্ন থামে না, যদি মানুষ অভ্যস্ত না হয়ে যায়, তাহলে মুখোশ ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়ে।
জাতি হিসেবে আমাদের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা হলো—আমরা মুখোশ দেখে মুগ্ধ হই। আমরা বক্তৃতা শুনে বিমোহিত হই। আমরা প্রতিশ্রুতি শুনে আশা করি। কিন্তু প্রতিশ্রুতির পেছনের কাজ দেখি না। আমরা নেতার হাসি দেখি, কিন্তু তাঁর অনুগতদের কাজ দেখি না। আমরা নিজেরাও যখন সুবিধা পাই, তখন নীরব থাকি। এই নীরবতাই মুখোশকে শক্তিশালী করে।
একটা জাতির চরিত্র তৈরি হয় তার নেতৃত্ব দিয়ে নয়, তার সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন সিদ্ধান্ত দিয়ে। যদি সাধারণ মানুষ মুখোশ পরতে অভ্যস্ত হয়ে যায়, তাহলে নেতৃত্ব যতই বদলাক, খেলা একই থাকবে। যদি সাধারণ মানুষ মুখোশ খোলার সাহস দেখায়, তাহলে নেতৃত্বকেও বদলাতে হবে।
এই লেখা কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা দলের বিরুদ্ধে নয়। এটি একটা ব্যবস্থার কথা, একটা মানসিকতার কথা। যে মানসিকতা বলে—নিজে হাত নোংরা কোরো না, অন্যকে দিয়ে করাও। নিজে ভালো থাকো, অন্যকে খারাপ হতে দাও। এই মানসিকতা যতদিন থাকবে, ততদিন মুখোশের আড়ালে মুখোশ থেকেই যাবে।
পরিবর্তন সম্ভব। কিন্তু সেই পরিবর্তন মঞ্চ থেকে আসবে না। সেই পরিবর্তন আসবে প্রতিদিনের ছোট ছোট সত্য থেকে। যখন একজন শিক্ষক নকল দেখে ব্যবস্থা নেন, যখন একজন সাংবাদিক চাপের মুখেও সত্য লেখেন, যখন একজন আমলা ফোন এলেও নিয়ম না ভাঙেন, যখন একজন সাধারণ মানুষ নিজের সুবিধার চেয়ে নীতিকে বেছে নেন—তখন মুখোশ কেঁপে ওঠে।
আমরা প্রত্যেকেই কোনো না কোনো মুখোশ পরে আছি। প্রশ্ন হলো—আমরা কি সেটা জানি? আর জানার পরও কি পরতে থাকব, নাকি খোলার চেষ্টা করব?
মুখোশের আড়ালে মুখোশ—এই সত্যটা যতদিন আমরা অস্বীকার করব, ততদিন খেলা চলতে থাকবে। যখন আমরা স্বীকার করব এবং প্রশ্ন করতে শুরু করব, তখনই হয়তো একদিন মুখোশহীন মুখ দেখার সুযোগ পাব।
সেই দিনটা দূরে মনে হতে পারে। কিন্তু ইতিহাস বলে, দূরের দিনও একসময় কাছে চলে আসে—যখন যথেষ্ট মানুষ একসঙ্গে হাঁটা শুরু করে।
আজকের এই লেখা সেই হাঁটার একটা ছোট পদক্ষেপ মাত্র। আরও অনেক পদক্ষেপ দরকার। আরও অনেক প্রশ্ন দরকার। আরও অনেক সাহস দরকার। কারণ মুখোশ নিজে থেকে খোলে না। তাকে খুলতে হয়। আর খোলার কাজটা কারো একার নয়—পুরো জাতির।
১ লাখ টাকা পুরস্কার জেতার সুযোগ!
আমার চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন। তারপর যেকোনো ভিডিওতে এই কমেন্টটি করুন:
🔗 https://youtube.com/@jaminatvmt
📝 @jaminatvmt
ধন্যবাদ ❤️
