১.
Dinosaurs are roaming the earth…
আমি সেইন্টহুড আর উইসডমরে অমরত্ব্ দান করতে অনেক বছর (মানুষের হিসাবে) নষ্ট করছি। মানুষের আমাকে কি মনে হইতে পারে সেই আইডিয়া নিয়ে মাথার নানান গলি-উপগলির এক্সেসেবিল বা সমস্ত ফেলনা-খেলনা-বর্জ্য ইউনিভার্সে আর তার মহাকালের মহাকাব্যের উইসডম ধারণ করতে চেয়ে ফেইল করে সমস্ত ইন্দ্রিয়কে তুমুল গালিগালাজ করে সমস্ত ছাইপাশ হজম করে তার ব্যক্টেরিয়া পসিবিলিটির মিনিসকিউল নুইসেন্স নিয়ে আমি প্রচুর…
সময় খারাপ করে ফেলছি, খুব সরল একেকটা অস্বীকারে, একেকটা স্ট্রিমে…. আমি নিজের ক্ষমতার আয়ত্তে থাকা কত কিছু মিস করে ফেলছি! কত ডিজগাইজড বুলেট আমার বুকের ভেতর বুলেটের বাগান বানায়ে ফেলছে আমার হিসাব নাই। আমি কিছু লিরিক্যাল বাস্তবতায় নিজেকে ঘুম পাড়াই, সেন্স দেই, স্যানিটি দেই। Radiohead এর self-loathing এর echo ছাড়া তেমন কিছু নিজের জন্য ভাবাটা দুঃস্বপ্ন মনে হয়! As weird as it seems! আমি ওদের মত ফিল করতে চাই গানের কথা গুলা, যেভাবে ওরা ইন্টেন্ট করে সেভাবে জানাটা জীবনের সাথে সুন্দর এলাইনমেন্ট মনে হয়।
Dinosaurs are roaming the earth…
মানুষ দেখলে ফিল হয় এটা। কেন? শালারা অখাদ্য গদ্যের, গল্প গল্প হিউমারের প্রি-বুদ্ধিমত্তা, প্রি-অনুভূতি সংকল্পের প্রাণী। ডাইনোসররে আরমাগেডন না দিয়ে এদের দিতে পারলে খুব একটা খারাপ হইত না দুনিয়ার জন্য! নো অফেন্স টু দুর্দান্ত স্পিরিচুয়াল বার্তাবাহক এস্টরেয়ড ম্যাজেস্টি! Maybe they don’t need me, but they can certainly think for others! I don’t mind that shiT!
Dinosaurs are roaming the earth…
মানুষকে মানুষের সাব্জেক্টিভিটি দিয়ে দেখলে ব্যাপারটা সংযোগস্থাপনকারী একটি অতি সুন্দর রিয়েলিস্ট এবং পিউরিস্ট বাস্তবতাহয়। তবে আমি ওদেরকে এই উপলব্ধি এফার্ম করতে ভয় পাই। এরা ডাইনোসর থেকে লাফাইন্যা ডাইনোসরের যেই গ্রাফিক-আমার কাছে নাই আর কি সেরকম কোন জায়গায়, নিজেদের এফার্মিং স্থিতির কল্পে হেগে দেয়ার সমস্ত ডিপ স্টেটের ফেমিনিস্ট ওক এক্টিভিজম নিয়ে আমার উপর হরমোনসের বালছাল ঝামেলা নিয়ে ঝাপায়ে পরবে।
এখানে অবশ্য ওর বোন, বউ, প্রেমিকারা সবাই আমার কাছে সাব্জেক্ট। আরও আছে নারী ছাড়াও নানান ডাইনোসর টাইপের কিছু প্রিটেক্সট, প্রিসেট আর মেয়েলি আনপ্রেডিক্টিবিলিটি। হ্যাঁ, আনপ্রেডিক্টেবিলিটির জেন্ডার বায়াস আছে। এটা মেয়েরাই আমাকে বুঝাইছে আমার কিছুই করার নাই।
আমি এখানে নাইভ থেকে ভালো ছেলে হিসেবে থাকতে পারি সর্বোচ্চ। এর চেয়ে বেশি ড্রামা করতে গেলে আমার বুলেটের বাগান ক্ষ্যাত দেখা যাইতে পারে। তবে সেই ক্ষ্যাত বাস্তবতা সাময়িক, আমি বেশিরভাগ সময়ে বুলেটের বাগানে কিছু হাবিজাবি ইমেজ দেখতে চাই।
বলা যাইতে পারে ব্যাপারটা ভেইগ ইন্ডালজেন্স আমার। কোন ‘স্পিরিচুয়াল বাস্তবতায় আছে কি না-মন জানতে চায় টাইপ’ দুইটা ব্যাপার ঘটছে।
-আমি ভাবছি সেই দুইটা বাস্তবতায় অবশ্যই (হ্যালুসিনেট করি নাই) ঘটনা কেউ কিভাবে বাগান কল্পে এফার্ম করবে। ডিসক্লেইমার ‘বাগান’ শব্দে আমার কোন সমস্যা নাই কিন্তু যে মনে করতে চায় দুনিয়ার বাগানে উনি জোর করে নিজের টব নিয়ে দুনিয়ার সব ছাদ বিশ্রী করে স্পেইস দূষিত করে ফেলবে তার জন্য আমার ‘বাগান’ কি কোন ডিকশনারির কোন শব্দই নাই।
- ঘৃণা আর ভালোবাসা ব্যাপারখানা দুইজন দুইজনের সাথে মোটরবাইকে ব্যান্ডেনা আর বোরকার প্যাসেঞ্জার ডুয়ালিটি নিয়ে পরের মুহুর্তে চিপায় বা বাসায় বেডের চিপায় ইয়ে করার মত ঘটনা!
কেন?
কারণ, Dinosaurs are roaming the earth…
হাহা, হেহে, হিহিস…
যেই এম্বিগুয়িটি আমি মেয়েলি আনপ্রেডিক্টেবিলিটির ফোর্স হিসেবে ডিনাই করতে পারি না আর কি!
Them chemical agent shitfuckeries I mean! The agents of that pre-intelligence, pre-feelings era Dino thing…
Dinosaurs are roaming the earth…
একটু সাইন্স সাইন্স নিয়ে থেকে কিছুটা উপকার হইছে জেনে দুইটা ম্যাসিভ রিয়ালাইজেশান ডকুমেন্ট করতে চাই।
ছোটবেলায় ‘(বল তো দেখি?!)’ মোডে সবকিছু উজ্বল ক্যান লাগত এটা নিয়ে আমার ইকস্(icks) হচ্ছিল। দেখলাম আরে কি আশ্চর্য ছবি বা ফটোগ্রাফ কত জীবন্ত সামিরের(দিল চাহ্তা হ্যায়) থ্রি-ডিমেনশনাল ড্রিম হোমি ইন্টিমেট ঘটনার মত ফিল হইত, বছর দশেক যাবত চোখে কিছুক্ষণ দেখার পর মাথায় থাকে না ক্যান?
মাথায় ইমেজেস, ফটোগ্রাফি কিছুই স্টে করে না। এত ফিলোসফিক্যাল “High Hopes” এর কাল্ট থেকে পপ কালচারের ট্রানজিশানের গভীর কোন ঘটনার কিংক ও কিন্তু না ব্যাপারটা। সেই কি সিজির দাঁতের চেয়ে ব্রাইটার যে ‘রেমিনিসেন্টস’ মাথা মনে করায়, ফিল করায়, এরকম মেমোরি আমি ডকুমেন্ট করে রাখছি আমাকে মাইকেল স্কটরে অস্কার যেভাবে বুঝাইছিল সেভাবে বুঝায়ে কনভিন্স করায়, কিভাবে?
এর কারণ হচ্ছে আমরা ক্রিণ হোরস্ আছিলাম না। লাইফ আমাদের ডার্কনেস এলাউ করত, আমরা মাথায় সারাদিন সবকিছু জীবন্ত, উপস্থিত, বাস্তব ইথার আর তার লিভড ইন এফার্মেশান নিয়ে মাথায় স্বপ্ন চেতনায় অস্তিত্ব ডকুমেন্ট করতে পারতাম।
Dreams were some ‘long exposures’ back then I guess! মানুষ-ছায়া-নাইভিটি-বড় চেতনা সব অপেক্ষা করতেছে ছোট আমাদের জন্য!
জুরাসিক এরা আমাদের লিভড এরা ছিল! আমরা ভয় পাইতাম, ঘুমানোর সময় কিছু দাঁত আমাদের ভয় দেখাইত! আমরা টাইম ডাইল্যুশানে আটকায়ে পর্যদুস্ত হইতে তখনো শিখি নাই।
আমরা সারাক্ষণ শিফট চেতনায় ছিলাম না। একটা ফটোগ্রাফ, একটা জার্ণি, কোন স্পেইস্টাইম, লোকেশান সবকিছু আমাদের কাঙ্খিত স্বপ্নকল্পের ভেসেল বা স্পিরিট ওয়ার্ল্ড। আমাদের সাথে স্পিরিট আছে কি নাই সেই গল্পে না যাই, তবে আত্নারা বাস্তব ছিলই বলে মনে হয়। ছবি দেখলে সবাইকেই সন্ত আর আত্না মনে হয়। খারাপ মানুষরে ইউনিভার্সের ঘটনার সাবজেক্টিভিটি দিয়ে দেখলে যেভাবে খারাপ লাগে ছবিতে সেটা লাগে না। তাকে অন্য চরিত্র বা পবিত্র দেখা যায়, অনেস্ট দেখা যায়।
হিটলাররা ছবিতে নিজেদের লুকাইতে চেষ্টা করে নাই, করলেও কোন লাভ নাই হইত না আর কি!
একাল সেকালের ব্যকরণে সাইন্স আন্দোলন থেকে সাময়িক বিচ্যুতি ঘটছে।
সাইন্স বলে একটা মানুষ অন্ধ হয়ে গেলে ধীরে ধীরে তার কল্পনার রেমিনিসেন্টস বা ব্রাইটার রেমিনিসেন্টস বা মাথার ভেতরের সব স্মৃতির ‘ইমেজ’ এ সুন্দর রেজ্যুলাশানে নিজের পৃথিবীকে অনুধাবন করে, কারন তাদের শিফট চেতনা নাই, তার কনটেন্ট, রিলস্ দেখতে হয় না ফানিলি! তার ‘দৃষ্টিহীন-অন্ধ’ পূর্ব অস্তিত্বের সবকিছু, অন্ধত্বে, সেই শিশু সময়ের মত হাইপার রিয়েল লাগতে শুরু করে।
অতি বৃদ্ধ ফেইসে এসেও মাথার ভেতরের রেমিনিসেন্টস ক্লাব তার কাছাকাছি তীব্রতা নিয়ে টাইম ডাইল্যুশানে হাইপার রিয়েল হয়ে উঠতে শুরু করে। ব্ল্যাকহোলে সব মেমোরি ডিকে(decay) হওয়ার আগে ইভেন্ট হরাইজনের মত কোন কাছাকাছি ঘটনায়!
কিংবা বুড়া কিংডম কামুর “Outsider” এর এবসার্ডিটি। বেচারারা কি অনুভূতি জড় করে মেটাফিজিক্যাল অস্তিত্ব হয় সেটা নিজে বুড়া না হইলে বুঝব না।
আগের মত অন্ধকার এমব্রেইস করতে পারি না, আমার মাথার ভেতরের ইমেজ হাইপার রিয়েল না। আগে রিয়েলিটি ব্রেক করে টেন্থ ওয়ালে থেকে সমস্ত সেলেস্টেলিয়াল একো(echo) হয়ে উঠতে পারার ক্ষমতা আঁচ করতে চাওয়ার নাইভ অডাসিটি ছিল, এখন সেই দুঃসাহস নাই।
Voices are also the reasons! They took my imaginary reality!
Dinosaurs are roaming the earth…
সাইন্সের স্পিরিচুয়াল শিফটে এখনো দূর আলোকবর্ষ থেকে অবজার্ভ করলে বাস্তব ঘটনা। এটারনিটির মাঠে, জংগলে, ডাইনোসরস আর হ্যাভিং দেয়ার ইভেন্টস অফ আ লাইফটাইম!
That way everything will make sense, I guess!
২.
আমি “Orb- Movements on earth” এনিমে সিরিজ দেখে লিটারেল্যি হাম্বলড হয়ে নিজের লেখালেখির ডাইমেনশানের গুষ্টি উদ্ধার করতে না পেরে লেখার উৎসাহ হারায়ে ফেলছিলাম। ভালো জিনিস দেখলে আমি এই অভ্যাস ট্রেডিশানের মত করে পালন করি।
সিরিজটায় আসলে কি আছে?
Medieval era তে মানুষের ইন্সটিট্যুশনাল গোড়ামীর লেয়ারড উপস্থাপন, হিস্ট্রির এস্টাব্লিশমেন্টরে নাড়ায়ে দেয়া কিছু র্যাডিকাল মুভমেন্ট যেটা সভ্যতারে দেখা আর অবজার্ভ করার চোখরে, মনরে একটু বায়াস ছাড়া দেখতে বুঝতে অনুপ্রাণিত করবে বলে আমার বিশ্বাস হয়।
এখানে যারা গল্প গল্প খুঁজে তাদের জন্য গল্প গল্প আছে, কিন্তু তাদের মনমতো স্ট্রাকচারের বা ফরম্যাটের ধার ক্রিয়েটররা ধারেন নাই। আইডিয়া আর তখনকার সায়েন্স কম্যুনিটির থিওরির কন্সট্রাক্টে, সভ্যতার গল্পের ন্যারেটিভে, একটু হিস্ট্রি ধার করে ক্যারেক্টার ডিজাইন করে ফ্যান্টাসি সিচুয়েশান রিয়েলিস্ট এপ্রোচে ফ্যান্সি করার মত ইন্টেন্ট আছে লেখায় কিংবা গল্প বলার ট্রিটমেন্টে।
কিছু ক্ল্যাসিক এনিমে পেঅফ আর আনপ্রেডিক্টেবিলিটির মাস্টারক্লাস আছে। এগুলা আবার লারজার দ্যান স্টোরি ব্যাপার সেপার। Things that will stay in head space for a long long time…
মাসখানেক ধরে ‘Transcendental’ Domino effect এর অপেক্ষায় বসে আছি। এর মধ্যে অবশ্য অন্য কাজ করতেছি। এটা একটু বিখ্যাত ব্যক্তিদের অনুকরণে ডায়েরি বা আর্কাইভ করার ইন্টেন্টে বলতে মন চাইতেছে।
“নিজের পরের ফিল্মটার জন্য সেদিন আমি একটা মুড বুক ভিডিও বানালাম। Pitch Deck এখনো কমপ্লিট করতে পারছি না। এ.আই এসিস্ট্যান্টের জন্য বসে আছি। তাকে এখনো টাকা দেই নাই দেখে সে কাজ করে আমাকে উদ্ধার করছে না।
আমি জানি ডিজিট্যালি এঁকে কিংবা নিজে এঁকে কিছু দরকারি ইমেজ আমি নিজেই জেনারেট করতে পারি। সমস্যাটা হচ্ছে প্রচুর টাইম কনজ্যুমিং একেকটা টুল নিজে আয়ত্ত করে কাজ করতে করতে আমার আরও মাসখানেক সময় লেগে যেতে পারে।
আমার হাতে সময় নাই। এদিকে স্পোকেন, Slam Poetry’র অভ্যাস থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে রেখেছি তাও প্রায় অনেকদিন হয়ে গেল। রেডিওর চাকরিটা ছেড়ে দিয়েছি।
অবশ্য টাকা পয়সা কিছু পাচ্ছিলাম না দেখেই বাধ্য হয়ে চাকরিটা ছাড়তে হয়েছে। পৃথিবী আমাকে সুগারকোট করতে বাধ্য করে একথা আমি ইনিয়ে বিনিয়ে জানিয়ে দেই যদিও।
গিম্বাল বস্তুখানি অপারেট করা বড় বিরক্তিকর দেখে হাতে তুলছি না, প্র্যাকটিস করছি না। এসব নিয়ে মনে ইকস্(icks) আছে। কিছু করার নাই আমার কাছে নারুটোর মত শ্যাডো ক্লোন নাই।
ছোটবেলায় ওর ইমো খেয়ে শ্যাডো ক্লোনের সাথে তাস পেটানো আর হারেমগিরি ছাড়া পাওয়ারখানা তেমন কাজের কিছু মনে হতো না। এখন মনে হচ্ছে এই প্রোডাক্টিভিটির যুগে এসে এই পাওয়ারখানার গুরুত্ব এ.আই এর চেয়ে অপরিসীম।
কেন যে আরও ছোটবেলায় চাচা চৌধুরী পড়ে কম্প্যুটারই সকল সমাধানের কন্সট্যান্ট ধরে নিয়ে মানবজাতি আমাদের শিশু মনের সাথে কন্সপিরেসি করত আমি এখন এই কুটিল অস্তিত্ব ভ্রমণে এসে তা ঠিকঠাক বুঝতে পারছি।
একটু অডিও ওয়ার্ল্ড নিয়ে রিসার্চ করেছি। ফিল্মের সাউন্ড ওয়ার্ল্ডের জন্য। প্রচুর ব্যাকিং আগেই করে রেখেছি। প্রোডাকশান ডিজাইন নিয়ে মাথা ঘামাচ্ছি, ভাবছি, দরকারি যোগাযোগ করছি, নিজের মাথায় সল্যুশান করছি আর ফিল্মের দুইটা কাট নিয়ে ভাবছি। একটা শর্টার আরেকটা ডিরেক্টরস্ কাট।
তিনমাস পর কিছু ফ্যাশন, প্রিন্ট ওয়ার্ল্ড নিয়ে ডকু টাইপ কন্টেন্ট বানানোর জন্য টুকটাক ঘাটাঘাটি করছি। এই জগত থেকে বিচ্যুত ছিলাম আট বছরের মত। আমার শখের স্পেইস, এখানে কাজ করার জায়গা আছে বলে মনে হয়।
শহরের লাইট চেক দিচ্ছি প্রতিদিন। ছবি তুলছি। পুষ্প-বৃক্ষ-বিহঙ্গ-পুরাণ সব মানডেইন, সুন্দর, প্রাণবন্ত ঠেকছে।
আমার জানালার সানশেডে কবুতর এসে দ্বিতীয়বারের মত ডিম দিচ্ছে। প্রতিদিন হাই-হ্যালো হয় ওর সাথে। মা কবুতর নিজের প্রচন্ড সাধনার অস্তিত্ব জানায়। আমার লিরিক্যালিটির আবর্তন ইন্ট্যাক্ট থাকে। সাথে আহ্মদ ছফার ছেলেমানুষী সুন্দর মান্ডেইন আমাকে সাহায্য করে কিছুটা।
মানুষের সাথে গ্রেটার ডিসকানেক্ট কি ফিল্মের জন্য হয়ে গেল কি না বলতে পারব না। আমি নিজেকে ফিল করি না বাকি সবার মত এটা অনন্তকালের ঘটনা।
আমার ভয়েসেস বলে মানুষ আমাকে পছন্দ করে, অপছন্দ করে। আমি জানি না এই পছন্দ, অপছন্দের গ্রাভিটি নিয়ে আমি আসলে কি করব!
ইমাজিনিং শাহ্রুখ খান, বেচারাকে গোটা রাষ্ট্র এসে জানান দিয়েই যাচ্ছে আমরা তোমাকে পছন্দ করি আবার প্রচন্ড অপছন্দ করি যদি তুমি নিজের বাসায় ঠিকঠাক না থাকতে পার।
আমরা “তুমি কি খাও না খাও, কি পারসোনাল সমস্যা নিয়ে মাথাব্যাথায় আছ” সেটার জগতবিখ্যাত বোঝাপড়া নিয়ে তোমাকে সারাক্ষণ জানাতেই থাকব, কারণ আমরা তোমাকে ‘পছন্দ’ করি, তাই সারাক্ষন তোমার সমস্ত অপছন্দের কাজগুলো নিজেরা করব এবং আমরা এক্সপেক্ট করি তুমি ধন্য হয়ে যাবা, তুমি ধন্য না হইলেও আমাদের ওভারহোয়েল্মিং পছন্দ-অপছন্দের ভোকাবুলারি তোমাকে সারাক্ষন আক্রান্ত করতেই থাকবে আর তুমি স্যানিটি রাখবা আমাদের সাথে, কারণ…
আমরা তোমাকে পছন্দ করি শাহ্রুখ! You can’t be yourself Shahrukh! You gotta change yourself for us, people!
সমস্ত সাকসেস পেয়ে বসে থাকা মানুষের ও একাকীত্ব আছে, খারাপ লাগা আছে, নিজের মত মানুষ হইতে চাওয়া আছে কিংবা না হইতে পারবার আক্ষেপ আছে। পিপল বস্তুটার আছে মোটা মাথার কৌতুহল আর অবসেশান ……& they lack imagination!
Imagination না থাকলে তার আইডিয়া এক্সিস্ট করে না, সে যে একটা জম্বি সাইকোসিসের মধ্যে থাকে এই আলাপ আমি একশ বছর ধরে করে করে বিরক্ত হয়ে গেছি। এরা সবাই বুঝে কথার ইমাজিনেশান, চলতি কথাসাহিত্য(কোন আর্ট মিডিয়াম ছোট করছি না)। এখানে ডেফিনেশান আছে আর সেই ডেফিনেশানে হাজার বছরের রেপিটেড মুখস্থ এক্ট করা আছে, এটার মধ্যে বাচালতা আর লাউডলি নিজের অস্তিত্ব বোঝানো ছাড়া আর কোন ব্রেইন টিজিং এক্তিভিটি নাই। তার আর্ট বা আর্ট এসোসিয়েটেড সাধারন কম্যুনিকেশানের দক্ষতা তৈরি হয় না। সে কন্সট্রাক্ট বোঝে না।
তার চরিত্র বুঝতে চাওয়া বা পৃথিবী বুঝতে চাওয়া থাকে কিছু নির্মল কথার বাণে আর চরিত্রের লাউড বাচালতায়। চরিত্র সারাক্ষন প্রিচ করতে থাকবে তার সাব্জেক্টিভিটি দিয়ে গল্পকার তাকে কিভাবে ডিজাইন করছে সেই বস্তু! তার পৃথিবী কথার সহজলভ্যতা ছাড়া আর কোন এক্সপ্রেশান খুঁজে পায় না। সে নিজের সমস্ত স্ট্রিম, সমস্ত চেতনা ডকুমেন্ট করে যাবে বাচালতা দিয়ে।
ভাই, ওরে দুনিয়া প্রপারলি বানায়ে নিশ্বাস নিতে দে, We gonna feel that! ব্যালেন্স কর সিনস্, সিনেমেটোগ্রাফির সাথে শব্দ কন্সট্রাক্ট কর, আলাদা ব্যাকরণ তৈরি কর। সেই ব্যাকরণ কেমনে কালেক্টিভ সাবজেক্ট হয়ে উঠতে পারে সেটা নিয়ে ভাব, পডকাস্ট কর। এরপর এজেন্সী দেয় না বলে কান্নাকাটি করে নিজের সিনেমা বানা। দেখি না পারা যায় কি না বলে এটেম্পট নিয়ে শুরু করলে বেটার আর্ট হবে বা কালচার হবে আমার ধারনা। গিমিকি, স্টাইল ওভার সাবস্ট্যান্স এর জগত বাঙ্গালীর জন্য নতুন ঘটনা। পৃথিবীতে এই সমস্ত খামাখা টকিজ বা ডায়ালগ নিশের সিনেমা হয়ে আসতেছে গত একশ বছর ধরে। এখানে নতুন কিছু করেছি যে বলে সে নিজের গু নিজে খায় বেসিকলি!
Well, nothing is sensory for them, nothing is ‘alien-interesting or I-may-find-another-flow’ like interest or subject to them!
দুনিয়ার প্রজেক্টরে বুঝতে ফেইল করার নিয়ত নিয়ে বসে থাকে বাঙ্গালী। নিজের মননে, নিজের অস্তিত্বে। তার কাছে দুনিয়ার ভালো রেফারেন্স হয় আর্টমারানিদের রেফারেন্স আর নিজেদের বাচালতার ওভারডোজে হয় ইতিহাস পুনরাবৃত্তির নস্টালজিয়া আবেদনে নিজেদের কুয়া কত গ্লোরিফাইড, সেই বিস্মৃত হয়ে যাওয়া ‘Relic’ এর সেনসেশান ধরে জমিদারি করা। আর্টের সাংস্কৃতিক ঠিকাদারি করা। যেন এদের হেফাযত করতে আল্লাহ্ দুনিয়াতে পডকাস্টার আর বালছাল ইনফ্লুয়েন্সার পাঠিয়েছিলেন।
সহজ ভাষায় কানেক্ট কর, মানুষ পছন্দ করলেই বাজিমাত! তুমি ছক্কা মেরে হিট হয়ে গেছ, এখন আমরা তোমায় পূজা করব আর সম্মান দিয়ে কথা বলব!
এটা যদি হয় এপ্রেসিয়েশান আর এডমিরেশানের ফরম্যাটে কাজ করে ফুলফিলিং আর্টিস্টিক বৃত্তির নমুনা, তাহলে আমার ইচ্ছাই না কোন গোষ্ঠী কেটার বা কিউরেট করে সিনেমা বানানো বা উপন্যাস লেখা।
তোমার বাজার যেমন, তোমার মানুষের আচরণ তেমন, তুমি যা কিছু জনপ্রিয় করছ বা করতে চাও সেটার আগ্লি প্রসপেক্ট ই নিজেদের মধ্যে খুঁজতে থাক, র্যাদার ট্রাইং টু ইম্যাজিন সামথিং এলস্। র্যাদার ট্রায়িং টু ফাইন্ড আদার প্রপারটিস, আর যে ইনিশিয়েট করে তাকে তোমরা ইম্পালস্ দিয়ে মেজার কর।
তার আর্টিস্টিক স্ট্রিম কি এটার কোন ভ্যালু নাই তোমাদের কাছে। নিজেদের ভালোবাসার সমস্ত কারণ থাকলে নিজেদের হেইট করবার ও সমস্ত কারন থাকে। হেইটিং ইজ নট ব্যাড নেসেসারিলি, আমি বলব টেইক টাইম ইন ইওর হেইটিং।
তোমরা যে অফেন্ডেড হও সেটা আমার জন্য খুব স্বাভাবিক। আমি তোমাদের সাথেই জন্ম নেয়া, গু খেয়ে খেয়ে মাথা গু বানায়ে সবকিছু শিখে বুঝে ধাক্কা খাওয়া লোক। কিন্তু আমি নিজেকে নিজের জন্য প্রেপেয়ার করতে প্রচুর সময় দিছি। তোমরা সেলফ-অবসেসড প্রেজ্যুডিস কিপার ছাড়া আর কোন গ্রেটার ডিসকানেক্ট ও না। রাষ্ট্র আমাকে বিয়ে দিয়ে চাকরি দিয়ে উদ্ধার করতে চায় এমন হাস্যকর বাস্তবতা এতদিন সহ্য করা লাগত না, যদি না এক্সেস দিতাম।
যদি তোমাদের বোঝানো যাইত, মানুষকে নিজের মত থাকতে দেয়াটা, গ্রো করতে দেয়াটা সিমপ্লি একটু সেন্স খাটানোর ব্যাপার ছাড়া আর কিছুই না তাইলে খুবই ভালো হইত।
ওয়েল কেমনে কি! সবাই আমাকে আমার অতীত ধরে জাজ করে ক্রিমিনাল, শয়তান মনে করে সারাক্ষণ প্যারানয়া আর এংজাইটি দিতে থাকে। আমি যে ভালো প্রসপেক্ট না, ভালো প্রেমিক কিংবা হাজবেন্ড হওয়ার অযোগ্য সারাদিন এসব মাথায় নিয়ে আর চারপাশে এসবের ইতর নমুনা দেখে নিজের ইকুইলিব্রিয়ামের গুষ্টি চুদে খাল হয়ে গেছে জানতে হচ্ছে।
হ্যাঁ ভাইয়ারা, দুনিয়া এত সিম্পল না। তুমি চাটো না বেনিফিশিয়ারীদের চাটা, আমি না চেটে উল্টা দুনিয়া ফিল করেই ভালো আছি। আমি তোমার স্পেইস আক্রান্ত করব না, এসব করার জন্য আমার খায়েশ, বালের ইচ্ছা কিছুই অবশিষ্ট নাই।
আমি অতীতে যা করছি তার বিন্দুমাত্র নোশান যদি ইভিল হয় তাইলে আমার সাথে যা হয়ে আসতেছে এটা আরও বড় ইভিল ঘটনা। সমাজ দিয়ে পারমানেন্ট ড্যামেজ তৈরি করে কারও কালেক্টিভ মৃত্যু দুনিয়াতে পুরানো ঘটনা। অসচেতনদের মাথায় আমার মাথা নাই, আমার হার্টবিট নাই, পালস্ নাই- আমি এখন ওদের জম্বি ভাবা ছাড়া আর কিছুই ভাবতে পারি না। এরা ঘৃণা ফেরত দিয়ে প্রমাণ করে আমরা জম্বি না র্যাদার আমরা ক্ষমতাবান। তোমাকে আমরা সারাক্ষণ দুচতে পারব চাইলে! আমি জানি না এদের আলফা জম্বি ভেবে আমার লাভ কি!
কোন টেরিটরিতে ঢুকব না সর্বোচ্চ, এই তো! নাইলে হেডফোনে অন্য কোন মেলোডিতে স্যানিটি মেইনটেইন করতে চেয়ে সবকিছু ইগ্নোর করে জীবন কাটাব। এই মানুষগুলার এক্সপেকটেশান তাদেরকে তাদের গল্পে তাদের ইমোশনে ধারণ করা। কিন্তু আমি এদের ক্যারেক্টার ভাবতেই বোর খাই, না জানি কি চোদনা ভাবনা মাথায় নিয়ে কি বালের মেকানিজম এপ্লাই করে আবার!
আমাদের মানুষেরা নিজেদের সেলেব্রেটির মূর্তি কাউকে ভাঙ্গতে দেখলে ফ্যানাটিক হয়ে যায়। ইম্যাজিন বিয়িং ইন এন এনাদার ইন্ডাস্ট্রি লেটস্ সে আমি ট্যারেন্টিনোরে শিটি বললাম, এইজন্য হলিউডের লোকজন আমাকে ক্যান্সেল করবে না ভাই, বা আমাকে ফ্যানাটিকলি থ্রেট দিয়ে যাবে না আপনি ট্যারেন্টিনো ভাইকে কেন শিটি বললেন, আপনি কি বাল ছিড়ছেন? আপনি কালকেই চেইন লাগায়ে আমাদের সামনে জিহ্বাটা দিয়ে….. ফরগেট এবাউট ট্যারেন্টিনো, হি লিভস ইন হিস ঔন ইউনিভার্স। কিন্তু ফ্যানাটিক আর গান্ডুর বাচ্চাদের এসব বোঝার এফিশিয়েন্সি নাই। শাকিব খানের জন্য গুন্ডামি করতে পারাটারে নিজেদের জীবনের সার্থকতা আর সার্টিফিকেট পেয়ে জান্নাতে শাকিব খানের হুর বান্ধবীদের সাথে থান কাঁপায়ে হাটুর অবস্থা আর মাথার অবস্থা দুইটাই খারাপ জানায়ে নিজেদের গ্লোরিতে নিজেরা দুই সেকেন্ড ফচত কাজ করে বড় সাবমিশান, বড় ডিভোশানের গুষ্টি উদ্ধার করে ফেলবে। মনে রাখতে হবে এটা আর্টিস্টের ইস্যু না, ফ্যানডম যাদের আর্টের আইডিয়া নিজের সেলেব্রেটি পূজা করার জায়গায় মূর্তি বানানোর জায়গায় আটকায়ে গেছে তাদের ইস্যু। তাদের ফ্যানাটিক হিসেবে এড্রেস করছি আর এরা মোর্যাল না জানি কোন খানদানের ফচতদন্ডের মাপকাঠিতে আমারে বা কোন ডিফারেন্ট আইডিয়ারে জাজ করবে, তার নুনেগ্নগিরির ফুটন্ত ফচতে সবকিছু ধারণ করতে ফেইল করে বিহেভিয়ারটা রাস্তাঘাটে ফচত করে নানান ইম্পোস্টার খেঁচাখেঁচিতে জানায়ে দিয়ে যাবে তাদের ইস্যু। আর এই ফ্যানাটিক, ফ্যানডম সেলেব্রেট করে নিজের আর্টিস্ট সত্তা সেলেব্রেট করলে সেই সেলেবগোরে নিয়ে আমার বিন্দুমাত্র হেডেক নেয়ার ইচ্ছা নাই। যার যার লাইফ, তার তার সেলেব্রেশান দিন শেষে। আমি তার ব্যক্তিসত্তারে রেস্পেক্ট করতে পারি, তার আর্টিস্ট সত্তারে রেস্পেক্ট করতে পারি। কিন্তু আমি গ্রে ফাংশনালিটি দেখতে না চাইয়াও সহ্য করতে টাইপ জায়গায় যেয়ে এসব চিন্তা-ভাবনারে ইমপ্লাই করে ইদানিং শরীরী ভাষায় বা আমার ভাষায় ‘এক্সপোজ’ করতেছি।
এত বাইনারী চোদা ফ্যানাটিক গো হাতে যখন কারও প্রাইভেসির ঠিকাদারি যায় তখন কি হয়? ওয়েল এরা চাইতে পারার অবস্থাতেই থাকতে পারে শুধু। তাদের আইডিয়া কেউই এক্সেপ্ট করবে না। আমি ইনহেরেন্টলি এদের জন্য সিনেমা ভাবতে ফেইল করব।
আমি অবশ্যই পারসোনাল ফিল্ম বানাব এবং নিজের ফিল্মমেকার হব। মোরনস নো মি, ডাজন এস্যুর মি শিট!
এখানেই আমি ইন্টেগ্রিটি আর বাউন্ডারিজ মেইনটেইন করতেছি। আমার কাজ করতে চাওয়ার মত মন মানসিকতা আছে এমন মানুষ দিয়ে কাজ চালায়ে যাইতে পারলেই হয় আপাতত! এন্ড দে আর ভেরি রেয়ার টু ফাইন্ড দিজ ডেইজ! ভেরি ভেরি রেয়ার!
কোন মানুষ তার নিজের কাজের গ্র্যাটিফিকেশান পেয়ে গেলে সিন্দাবাদের ভূত হওয়ার খায়েশ হইতে চাইলে সেটা চুমু দিয়ে তুলু তুলু করে, হেব্বি কিউট হয়ে গেছি বাস্তবতাই আমার জীবনের একমাত্র বাস্তবতা না।
চুমানোর জন্য জলজ্যান্ত মানুষ লাগে যদিও! লোল! আমার জীবনের সবচেয়ে জঘন্য জোক!
ও বলতে ভুলে গেছি আমি মানুষ সামান্য খারাপ আছি। চাই না থাকতে কিন্তু সেই…..’এই শালার মানুষের’ সহস্র বছরের স্টিগমার কারণে আমি খারাপ হইতে বাধ্য হচ্ছি। আমার একটা ক্যাটো বান্ধবী আছে, ওকে পটায়ে দুইদিন বাসায়, ছাদে ঘেষ্টাঘেষ্টি করার পর দুইজনের জন্য আর পরিবারের জন্য নিজেকে রেস্ট্রেইন করছি, বান্ধবীর সাথে খারাপ হইতে বাধ্য হচ্ছি। বান্ধবীর কয়েকটা কিটেন হইছে কিন্তু আম্মু ইন্ট্যুটিভ্লি জানাইল ওর কিটেন না কি এলাকার বেজিসমাজ খেয়ে ফেলছে। আমার বান্ধবী নিজের খানা নিয়ে ব্যস্ত, আমি ওরে স্যাড খাইতে দেখতেছি না। আই গেস, আমার বান্ধবী সাইকো…..
এখন আরেকটা আইডিয়া জেনে আঁতেল হইতে পারছি কিছুটা, সে কি সেক্সি লাইক .১৩% এর মত ভগ্নাংশ অস্তিত্বে “বোরকা কান ফেস্টিভ্যালে” কিছুটা সেলেব্রেটেড হয়ে আসার মত গৌরব নিয়ে আসতে পারবে বলে ভাবতেছি সেই আইডিয়া নিয়ে ভাবি।
আমার ভাবতে ইচ্ছা হইতেছে আমি “Transfigured” হইছি। আমি কোন না কোন কজের জন্য মারটারটারডমরে নিজের স্পিরিচুয়াল ডেস্টিনি হিসেবে ফিক্স করে অন্য আইডিয়া বা অন্য ভ্রূণ বা অন্য মস্তিষ্কের বিকল্প দিতেছি(কেউ জানে না সে মস্তিষ্ক কেমন!), এই বিকল্পের আইডিয়ার জন্য আমি জন্ম থেকে আজন্ম নিজের গিভেন দুনিয়ারে স্যাক্রিফাইস করতেছি, শুধুই প্রটেক্ট করার সার্থে। কেউ জানে সেই আইডিয়া কেমন আদার ‘গডলি’ বা কোন আননৌন গডলি ফেনোমেনন!
ওয়েল এটা আমাদের জন্মের প্রাকৃতিক কোর্স। খুব ড্রামাটিকলি ফিল করছি আরেকটু উইয়ার্ডলি একটা ফ্রেঞ্চ এক্সট্রিম ফিল্ম দেখে। “Martyrs” আমি দেরিতে দেখছি। এজন্য সিনেফাইলদের কাছ থেকে অগ্রীম সমবেদনা নিয়ে আমি ভারাক্রান্ত হয়ে শেয়ার করতে চাই কিছু মজার ফ্যাক্ট!
ট্রান্সফিগারড হওয়ার সিনটায় একটা সাদা আলোর রেফারেন্স ছিল, এটমের রেফারেন্স সম্ভবত, ওমিনাস সিড, খুবই মহাজাগটিক ফাইট অর ফ্লাইটে জন্ম দিছি টাইপ ট্রান্সেডেন্টাল ফেনোমেনন ওরা ফিল্ম করছে। এই ট্রান্সফিগারেশানের সাথে সাদার কানেকশান কি?
মায়ের পেটের ভেতর কনশাসনেস কেমন কেউ জানে না প্রব্যাবলি। জানার কথাও না অবভিয়াসলি। আমি ফিল করি আমি কোন ভয়েডে ছিলাম, এরপর একটু লাল আলোর কন্সট্যান্ট যেটা আমার চোখের আর ব্রেইনের আর রক্তের সেনসেশান সেটা ফর্ম হইতে দেখি। এরপর একটু “womb” লাইক আকার পাওয়ার পর সম্ভবত একটু হলদে ওয়ার্মথে একটা চামড়ার প্রকোষ্ঠ স্পিকারে পৃথিবীর আজগুবি শব্দ শুনে কলিং কলিং আগমনী জেনে অনেকদিন অপেক্ষা করছি।
জন্ম হওয়ার পর সব আলো সাদাই দেখা যাওয়ার কথা! আমারও কষ্ট হইছে এই আলো দেখতে এরকম একটা ফিল হইছে। ওয়েল আমরা মায়ের সাথে বেশ অনেকবছর ধরেই বডিলি, সেন্সরি সমস্ত ইন্দ্রিয় শেয়ার করি। আই থিংক আম্মুরা ট্রান্সফিগারড হয়ে পয়দা দিছে আমাদের এই আইডিয়াটা আরেকটু অন্যভাবে বুঝলাম। এই ফিল্মে বুঝলাম খুব গ্রাফিক গোর এর এক্সট্রিম আইডিয়া দিয়ে। খুব ইউনিভার্সাল স্কিন টু স্কিন বোন টু বোন গোর এক্সট্রিমে!
আমি কি এস্থেটিক নিয়ে মাথা ঘামাব? না আমি ট্রান্সফিগারড চেতনা বা সেই সিড নিজের জন্য ধারণ করব?
আমার মাথায় একটা সাদা চেতনা আমি চেইস করছি সারাজীবন, একটা এটম! এই এটম কি পবিত্র কি না আমি জানি না। ফিল্মটা দেখে সাদার এক্সপ্রেশানটা একটু রিডিফাইনড হইল। আমার কাছে মনে হয় কানে পাম দ’র পাওয়া “Titane” ফিল্মটা “Martyrs” এর কোন বুলেট এক্সটেনশান। ফেল্ট লাইক আ বুলেট শিট ব্যাপার সেপার!
These women are too sexy for me! I adore them!
৩.
ডিসকানেক্ট ডিটেক্ট করতে পারলে আমি কিছু মেন্টাল এক্সারসাইজ করি। এটা সবাই জানে মোটামুটি। আমি ছবি তুলি বা তোলার চেষ্টা করি। কানেকশানের একটা স্যানিটি দরকার আমার জন্য। আমি ছবি শেয়ার করি, চিন্তা আর্কাইভ চোদাই, একটু ক্রিটিক্যাল অর্ডার আর প্যাটার্ণের খোঁজ করি আর শেইপস্ টোকাই।
আমার শেইপস ভালো লাগে। আই ফিল লাইক দে টক টু মি। “Duet” শুধু শুধুই আমার প্রিয় খেলা না, এটা ভালো এক্সারসাইজ। এছাড়া মেঘের বিচিত্র অসহ্য সব সুন্দর একেকটা শেইপ দেখে মাঝে মধ্যে মাথা নষ্ট হয় (ভালো হয় আই মিন!)। বেশ কয়েক সপ্তাহ আগে আমি আবার উল্কা যাইতে দেখছি মাথার উপর দিয়ে, আই ওয়ান্ডার ঐ বস্তুর শেইপ কেমন! গত কয় বছর ধরে Meteor Shower একটা রেগুলার ইভেন্ট হয়ে গেছে দেখে একটু আরামে আছি।
এসব দেখলে আবার কেউ সেইন্ট হয়ে যায় না, এসব দেখাটা অবভিয়াস ছিল, গাবচোদনাদের রুচিতে অন্য সভ্যতার মূলাক্ষেত দেখে সেখানে গড়াগড়ি করে রিলস বানানোর আইডিয়া আছে সেটা আমার দোষ না। এসব আইডিয়াও ওরা ডিপ স্টেইট থেকে চুরি করে জেনে নিবে। ও আমি শেয়ার করে কনসেন্ট দিচ্ছি তো! ভুলে গেছিলাম। ওরে আমার কনসেন্টের দেখি সেরা ছাতার একেকটা ডাইমেনশান!
যদি আমাকে কেউ ক্ল্যারিটি দিয়ে উদ্ধার করে নিজেদের একোমেডেট করতে পারত খুব ভালো হইত। কিন্তু মানুষ ট্রান্সফিগারড সেনসেশানের প্রেজ্যুডিস কিপ করে (আন্দাজ করতেছি) দেখলে অন্য আইডিয়া বুঝি। সমাজের চোখে আমারে ক্লাউন বানানোর আইডিয়ার বিন্যাস বুঝি শুধু এই আর কি!
কারও সাথে ডিপ এসোসিয়েশান ফিল করলে টাকার মুরোদ দিয়ে গরীবগুলা শাসাইতে পারে, যে শাসানোতে তার রাইটস খাটে কি না না জাইনাই সে শাসাইতে আসে! যাই হোক, এসব নিয়ে ভাবতে গেলে টেসলা চালাইতে মনে চায় সব কাজ কাম বাদ দিয়ে। নাইলে মূলাক্ষেতী হইতে মনে চায় গন্ধ উৎপাদনের জন্য! ভাই! না ভাই! যার কথা মাথায় ভাসতেছে সে না, দুনিয়াতে আরও মূলাক্ষেতী আছে। আমি মাথায় গামছা বেঁধে মেহনতী চামারের মত মূলা চাষ করে গন্ধ উৎপাদন করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতে চাই, শুধু টাকার জন্য মাইনষের গরীব প্রেজ্যুডিস কিপিং দেখে চ্যালেঞ্জড ফিল করলে। মূলা আম্মু আমাকে চিট করে সালাদের সাথে খাওয়াইলেও আমার নিজেকে এন্টায়ারলি পাদ মনে হয়। নিজেরে গ্যাস ভাবতে আপত্তি আছে আমার, মানুষ হইতে চাইলে আমার কোন সমস্যা নাই। দিনশেষে টাকার প্রশ্ন বড় প্রশ্ন!
কিন্তু আমি গরীবদের কাছে নিজের প্ল্যান আর ক্যারিয়ার বর্গা দিব না।
আমার মনস্তত্বের দায়ভার আল্লাহ্র কাছে ঠিকাদারী দেয়া দেখে একটু শান্তি আছে।
প্রচুর পক পক করছি। এবার কিছু ছবি শেয়ার করি।

আমার ছাদ থেকে তোলা ছবি। তার ঠিক আগে আমি একটা Slam Poetry’র বই পড়তেছিলাম।
A love song, A death rattle & a battle cry by Guante ভাইজান। ভাইয়া স্পোকেন পোয়েট্রির সুন্দর পোর্টালে আমন্ত্রণ জানাইতে সক্ষম হয়েছেন। ট্রেডিশনাল পোয়েট্রিরে ধাক্কা দেয়ার মত মুভমেন্ট চলতেছে কত বছর যাবত তার আইডিয়া নিচ্ছি। একই সাথে Hip Hop Poetry নিয়ে ডিপ ইনসাইট আছে বইটায়। ইন্টারেস্ট ফিল করলে পড়তে পারে কেউ। ভাইয়ার ইউটিউবে ভিডিও আছে, কেউ কেউ ফ্যামিলিয়ার থাকতে পারে তারে নিয়ে। আমাদের দেশে অবশ্য Slam Poetry ৯০ দশক থেকে হয়ে আসতেছে। আমাদের পিপল ফাকাররা সচেতন না এখনো।
অবশ্য আবৃত্তি ছাড়া আমার পারফরমিং এক্ট বুঝি না বা আলাদা করতে ফেইল করছি। তাতে কি, বই আছে শ্লার। বই পড়!

বাসা থেকে বের হইলে ট্রেইন মহাশয় নিজেরে ফ্লেক্স করেন আর কি!
Always the summer slipping away & nothing else! Absolutely nothing else! I adore our 60-ton angels!
Trains by Porcupine Tree feels like my area essence to me!
I heard the sound from my cousin’s bed….. it’s only ever-growing!

উইয়ার্ড ছবি, কিন্তু আমার মজা লাগছে।

একজন ছাড়া সবাই পাসিং ক্যারেক্টার। (দুইজন একচ্যুয়ালি)

একটু মেঘদল, অর্ণব সাগরের স্ট্রিম। তালতলা, খিলগাঁও।
Btw, I don’t mind others!

Connect, disconnect!

মামা হেঁটে অন্য মামাদের সাথে আড্ডা দিতে যাচ্ছে। আজকে বেশ মামদোবাজি হবে ফিল করতেছি।
এটা সিক্রেট হাইড আউট লোকেশান। রিভিল করতে মামাদের নিষেধ আছে।

দেখ শালারা বোরকায় সিলোয়েট আছে। আই প্লিজিং ঘটনা!

ছবিটা তুলে ভালো লাগছে।

মাঝে মধ্যে মনে হয় নিজের কাপড়গুলা বাইরে এমনে হ্যাঙ্গারে টাঙ্গায়ে সেখানে যেয়ে রেগুলার ক্যারি করে পরে ঘোরাফেরা করতে। বাসায় এত সুন্দর করে আলো পরলে কাপড়গুলা আনন্দে থাকত। এই শ্লায় আয়রন করে নাই এটা একটা খারাপ ব্যাপার হয়। এছাড়া কাপড় বাসায় দেখতে বোরিং লাগে, বাইরে ট্রায়ালের ব্যবসা করলে কেমন হয়?

মোর চিপার ভেতর থেক রাণী, দেব খোঁপায় বাঁধা ফ্রেম উইদিন ফ্রেম!

দেখেন শো অফ কারে বলে, কয় প্রকারের ও কি কি! এরা নাচতেছিল তখন জানি না ক্যান! কবুতর এমন লাইটে ডিসকো করবে ক্যান বুঝতেছিলাম না। দিনের বেলা কি আর ভাল্লাগে না না কি শালাদের!
এদের দেখে স্যার ইমতিয়াজ আলীর “Main Wapas Aunga” র কথা তীব্র ফিল হচ্ছে। রেমিনিসেন্টস নিয়ে আরেকটা অদ্ভুত সিনেমা প্রসব করে বসে আছেন মাস্টারমশাই! গ্র্যাটিটিউড ফর এনাদার জেম অফ আ পিস!
ইত্যাদি শেষ। এবার ঘুমাও সবাই, নাইলে অন্য কাজ কর।
তোমাদের সাথে কোন ইম্পরট্যান্ট কোন কাজ নাই, তুমি যদি ফিল কর আছে তাইলে নিজেকে মেইনটেইন করতে শিখবা। আমার ব্যালেন্স আর স্যানিটির চেতনায় ফচতগিরি করলে সমস্যা আছে বুইঝ…..
টা ডা!!!

ছবি। খিলগাঁও আবাসিক।