চলতি বছরের বেইলি গিফোর্ড প্রাইজের দীর্ঘ তালিকা ঘোষণা করা হয়েছে। এবারের তালিকায় জায়গা পেয়েছেন ১৩ জন লেখক। এদের মধ্যে আছেন প্রভাবশালী ব্রিটিশ পত্রিকা দ্য গার্ডিয়ানের সংস্কৃতি বিষয়ক প্রধান লেখক শার্লট হিগিন্স, মার্কিন অনুসন্ধানী সাংবাদিক প্যাট্রিক র্যাডন কিফ এবং ইতিহাসবিদ বেন ম্যাকিনটায়ার।
বেইলি গিফোর্ড যুক্তরাজ্যের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ বার্ষিক সাহিত্য পুরস্কার, যা ইংরেজি ভাষায় রচিত বিশ্বের সেরা ননফিকশন বইয়ের জন্য প্রদান করা হয়। ১৯৯৯ সালে স্যামুয়েল জনসন প্রাইজ নামে এটি চালু হয়। এরপর ২০১৬ সালে বিনিয়োগ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান বেইলি গিফোর্ড এই পুরস্কারের পৃষ্ঠপোষকতা করায় এটির নাম বেইলি গিফোর্ড প্রাইজ রাখা হয়।
এদিকে আগামী ১ অক্টোবর বেইলি গিফোর্ডের সংক্ষিপ্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে এবং ৪ নভেম্বর বিজয়ী লেখকের নাম ঘোষণা করা হবে। তিনি পাবেন পাবেন ৫০ হাজার পাউন্ড।
২০২৬ সালের বেইলি গিফোর্ড প্রাইজের দীর্ঘতালিকা এক নজরে দেখে নেওয়া যাক:
১. নিকোলাস বগসের ‘বল্ডউইন: আ লাভ স্টোরি’
২. এডওয়ার্ড চিশলমের ‘মার্ডার ইন প্যারিস সিক্সটি-এইট: আ ট্রু স্টোরি অব ডেথ অ্যান্ড গ্ল্যামার’
৩. ম্যাথিউ সুইটের ‘দ্য গ্রেট ডিকটেটর: আ লাইফ অব বারবারা কার্টল্যান্ড’
৪. আন্দ্রেয়া উলফের ‘দ্য ট্রাভেলার: দ্য রেভল্যুশনারি লাইফ অব জর্জ ফস্টার অ্যান্ড হিজ সার্চ ফর হিউম্যানিটি’
৫. এডমন্ড রিচার্ডসনের ‘আলেকজান্ডার: গড, কিং, ম্যান’
৬. বোজান প্যানসেভস্কির ‘দ্য নর্ড স্ট্রিম কনস্পিরেসি: দ্য ইনসাইড স্টোরি অব দ্য এক্সপ্লোশনস দ্যাট শুক দ্য ওয়ার্ল্ড’
৭. আনন্দ গোপালের ‘ডেজ অব লাভ অ্যান্ড রেইজ: আ স্টোরি অব রেভল্যুশন’
৮. শার্লট হিগিন্সের ‘ইউক্রেনিয়ান লেসনস: আর্ট ইন আ টাইম অব ওয়ার’
৯. বেন ম্যাকইনটায়ারের ‘রেডউড: দ্য আনটোল্ড স্টোরি অব দ্য কোল্ড ওয়ার্স মোস্ট এক্সট্রঅর্ডিনারি স্পাই’
১০. প্যাট্রিক র্যাডেন কিফের ‘লন্ডন ফলিং: আ মিস্টিরিয়াস ডেথ ইন আ গিল্টেড সিটি অ্যান্ড আ ফ্যামিলিজ সার্চ ফর ট্রুথ’
১১. জেন রোগয়স্কার ‘হোটেল এক্সাইল: প্যারিস ইন দ্য শ্যাডো অব ওয়ার’
১২. অসনে সাইয়ারস্টাডের ‘নেভার সে ওয়ার: লাইফ ইনসাইড রাশিয়া’
১৩. ইয়ান বুরুমার ‘স্টে অ্যালাইভ: বার্লিন, ১৯৩৯–১৯৪৫’