চৌরঙ্গি হোটেলের ছোট কাঠের টেবিলে এসে বসল মুস্তফা। ডানদিকে চেপে বসে টেবিলে কনুই রেখে দুই হাতের তালুর ভেতর মুখ ঢুকিয়ে সামনের দিকে তাকালে ব্যস্ত মানুষের অসংলগ্ন পারাপার, চিরচেনা রিকশার গিট্টু, বাকরখানির দোকান, ক্রিং ক্রিং পিইইপ পিপ—এইসব ছাড়া আর কিছু নেই। রোদ পড়েছে আকাশ থেকে। মুস্তফার চোখে ধরা পড়তেছে রোদের ভেতর উড়াউড়ি করা লক্ষ-কোটি ধূলিকণা। সামনে থাকা গুড়ামাছের বর্তন আর গোল্লা বানিয়ে রাখা আলুভর্তাগুলো গোগ্রাসে গিলতেছে সেইসব ধুলাবালি। মুস্তফা পয়সা দিয়ে ধুলা খাবে না।