চোখ ধাঁধানো নৈসর্গিক আয়োজনে
ভগবানের দীর্ঘ মেহনতের সৃজন
ককসবাজারের মোহনীয় দ্বীপ মহেশখালী।
টলটলে হাড্ডিসার কাদার স্থিরতার প্রয়োজনে
আপন হাতে প্রোথে দেওয়া পেরেক যেনো।
যতবার চোখ পড়েছে তার মুখে-
ভুলে গেছি আমার হাজার বছরের আবেগী স্মৃতি।
বিষণ্ণ মনের ক্যানভাস সাহসা পেয়েছে
সাত রঙের মিশ্র আবরণ।
টুকরো টুকরো সময়
টুকরো বিভাজনের নৈসর্গিক আস্বাদন
আমাকে অতৃপ্ত করেছে অনায়াসে।
মাঝে মাঝে ঈগল হওয়ার খুব লোভ হয়-
শূন্য আকাশে উড়ে
একসাথে প্রেমিকার নিপুন দেহ
এক নজর দেখবো বলে।
গভীর সমুদ্রে মাঝে শির উঁচায়ে
অনড় দাঁড়িয়ে থাকা সুউচ্চ মাটির মিনার।
মিনারের চূড়ায় যতবার চড়েছি-
ততবার ভুলেছি আমার পুরানা প্রেমিকার ঠোঁট,
ভুলেছি তার মোহনীয় দুটি আঁখি।
যে আঁখির কালোবিন্দু দেখে কেটে গেছে
আমার সাড়ে তিন জনম।
প্রেমিকার দেহ জুড়ে জন্মানো প্রকৃতির দান
সারি সারি পানের বরজ সাথে খুনসুটিকালে
যতবার গায়ে লেগেছে-
পানপাতার লেজ বেয়ে ঠিকরে পড়া শিশির,
ততবার আমি শিহরিত হয়েছি অন্দরে।
মিষ্টিপানের নেশাধরা গন্ধের ছন্দতালে
আমি প্রতিদিন মাতাল হই।
সাময়িক বিয়োজন হয় স্মৃতি গ্যালারীর উজ্জ্বল আল্পনাটাও।
মৈনাকের তীর্থে পা রেখেছি কতবার..!
তা গুনে রাখা হয়নি তো আর।
ভালবাসা আর ভক্তি যে গুন মেপে হয়না...!
ভারী, ঋযু অন্তরাত্মার পরিশোধিত রূপের কারিগর
এখানে আড়ালে আছে সবর্তমান।
আমি আবার আসবো বলে প্রতিবার, সাতবার।
সাত জনমে চেটেপুটে আস্বাদন করতে চাই-
আমার মোহনীয় প্রেমিকার সারা দেহ।
Comments
First reader
You were first.
+0 XP
Yours is the first word this story has heard. Its writer will see it.
You also earned the First Reader honour.
-
-
আপনার শব্দচয়ন দারুণ। কবিতাটি সুখপাঠ্য হয়েছে। ভালবাসা আর ভক্তি যে গুন মেপে হয়না' এ বাক্যটি ক্লাসিক লিখেছেন।