দেশে সারা জাগানো তরুন রয়েছে অনেক। তাদের সবার কীর্তি একসাথে কর্পোরেট মিডিয়ায় ঠাঁই পায় না। 'জাকির আহমদ' এমন একজন তরুণ প্রজন্মের ব্যক্তিত্ব, আমি হলপ করে বলতে পারি তিনি রংপুরে বসতি না গেড়ে যদি রাজধানী কিংবা অন্যকোনো শহরে থাকতেন তাহলে দেশের মানুষ তার নাম গর্ব করে উচ্চারণ করত। কিন্তু তার জন্ম বেড়ে ওঠা এবং হাজারো স্বপ্নের চাষাবাদ এমন এক মাটিতে যেখানে বৃটিশ আমল থেকে আজ অবধি কৃষকেরা ফসলের ন্যায মূল্য থেকে বঞ্চিত, জনগণ আন্দোলন সংগ্রামে নেতৃত্ব দিবে, প্রাণ দিবে অকাতরে কিন্তু প্রাপ্তির খাতা বরাবরই শূন্য।
সেখানে তরুণদের মধ্যে স্বমহিমায় নিজের পথে অটল রয়েছেন - জাকির আহমদ।
চলার পথে কোন সেক্টরে তাকে খুঁজে পাবেন না? রক্ত প্রয়োজন, জাকির ভাই আছে। পত্রিকা বের করবেন, জাকির ভাই আছে। প্রত্নতাত্ত্বিক বিষয়ে হেল্প লাগবে জাকির ভাই আছে। সাহিত্য সংগঠন নিয়ে কাজ করবেন জাকির ভাই আছে।
জাকির আহমদ ভাইয়ের সাথে পরিচয় - লেখালেখি বিষয়কে কেন্দ্র করে।
সাহিত্য বিষয়টাকে আমার মনে হয় আধ্যাতিক জগতের একটা তরিকা। যে সাধনা করে সে-ই বুঝে তার মর্ম। কে কি উদ্দেশ্য এই সাধনা করে বুঝা মুশকিল। কিন্তু এই পথ অন্তহীন। তবে এই পথে চলতে গিয়ে অনেক কিছু সামনে আসে, অনেকে অনেক রকমভাবে নিজেকে তৈরি করে গোপনে বা প্রকাশ্যে।
জাকির আহমদ- সেই আধ্যাতিক জগতের একজন তরুণ ব্যক্তিত্ব। যাকে আমরা পাই নিজের আপনজন হিসেবে।
অনেক জনপ্রিয় তরুনের কাজের মূল্যায়ন শুনে আনন্দিত হই, তাকে নিয়ে গল্প করতে ভালো লাগে। কিন্তু সপ্তাহ না যেতেই সেই আলোচিত তরুণের অহংবোধ, আঁতলামিতে নাক ছিটাতে হয় লজ্জায়।
জাকির আহমদ- সৃজনশীলতায়, সামাজিকতায় কোথায় কী করলেন আর না করলেন তার চেয়ে একজন ব্যক্তি জাকির আহমদ-র অবস্থান অনেক উপরে। এর জন্য তাকে যে পরিমান পরিশ্রম, ত্যাগ ও সাধনা করতে হয়েছে তা আমরা ক'জনইবা জানি।
স্পষ্ট করে বললে, নাম যশ হলে রাজনীতির ললিপপ চুষার লোভ সংবরণ করা কঠিন। রাজা যায় রাজা আসে কিন্তু জাকির ভাই যে রকম সে রকমই থাকে। তাই তার সাথে নির্ভয়ে চা খাইতে খাইতে রাজা উজির মারা যায় আনন্দে।
নূরলদীন, বেগম রোকেয়ার জন্মভিটায় নতুন প্রজন্মের জাকির আহমদ যত বেশি বিকশিত হবে পরাজিত ব্রিটিশ বেনিয়াদের প্রেতাত্মার আছর থেকে মানুষের সমৃদ্ধি ও ইনসাফ তত দৃশ্যমান হবে। জাকির ভাইয়ের জন্য শুভকামনা রইল।
.........................................................