গ্রামের পুরোনো গির্জার ঘণ্টা পঞ্চাশ বছর ধরে বাজে না। তবু সেদিন মধ্যরাতে ঘণ্টা বেজে উঠল।
একবার।
দুবার।
তিনবার।
গ্রামের বৃদ্ধ পাদ্রি ছুটে গেলেন। ঘণ্টা ঘরে গিয়ে দেখলেন, দড়িটা নিজে নিজেই দুলছে। নিচে ফিরে এসে তিনি দেখলেন, গির্জার সব বেঞ্চে মানুষ বসে আছে।
সবাই কালো পোশাকে, মাথা নিচু করে।
সামনে বসা একজনকে পাদ্রি জিজ্ঞেস করলেন, “আপনারা কারা?”
লোকটি ধীরে মাথা তুলল।
মুখ পুরো চামড়া দিয়ে ঢাকা, শুধু ঠোঁট দুটো ফাঁকা হয়ে আছে, কালো গর্ত দেখা যাচ্ছে।
গরগর শব্দে সে বলল, “আজকের প্রার্থনা আপনার জন্য।”
পাদ্রি ভয় পেয়ে পিছনে সরে গেলো আর সামনে দেখল তার দেহটা পড়ে আছে। রক্ত শূন্য মৃতদেহ।
ঠিক তখন সবাই একসাথে বলে উঠলো, “আজকে থেকে আপনি আত্মাদের সাথে প্রার্থনা করবেন। কারন মৃতদেহ কখনো প্রার্থনা করে না।”
গল্পঃ মৃত্যু ঘণ্টা