তল্লাটের সবচেয়ে পুরোনো মৃত গাছটার কোটরে
লুকিয়ে থেকে থেকে ভাবি, আমারও তো এত রঙ নাই!
পিতৃহারার শোকের আসরে মনে মনে হেসেছিল একজন
সম্পত্তির যোগ ভাগের অংক মিলাতে মিলাতে, দারিদ্রের
শৈশব বেমালুম অস্বীকার করেছিল নাকি একজন বিলাতে।
অপার ভালবাসার বৃত্তে থেকেও মনের ভেতর অন্য মানুষ,
কপালে প্রার্থনার দাগ রেখে মানুষ কুপথে করে যাচ্ছে
পাপের চাষ, পার্থিব প্রাপ্তির জন্যে এত শোরগোল আর আমার সয় না।
আমি আর এ কোটর ছেড়ে আর বেরোচ্ছিনা। বর্ষার
পানিতে এখানে পানি জমলেও আমি বেরোবো না।
মানুষের সাথে কোন প্রাণীই পেরে উঠে না। দ্বন্দ্বেই
রয়ে গেলাম, মানুষই মানুষের রঙ চেনেনা কেন?
(কবিতাটি আমার স্বগতোক্তি কাব্যগ্রন্থে প্রকাশিত)