চলতি বছরের সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার জিতেছেন কানাডিয়ান কবি, প্রাবন্ধিক এবং অনুবাদক অ্যান কারসন। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সুইডিশ একাডেমি নোবেল বিজয়ী হিসেবে ৭৬ বছর বয়সী এই লেখকের নাম ঘোষণা করেছে।
কারসনের সাহসী ও উদ্ভাবনী সাহিত্যকর্মের জন্য মর্যাদাবান এই পুরস্কার দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে নোবেল কমিটি। এক বিবৃতিতে নোবেল কমিটি বলেছে, তার সাহিত্যকর্ম ধ্রুপদী ঐতিহ্যের সাথে এক কৌতুকপূর্ণ ও সৃজনশীল মিথস্ক্রিয়ার মধ্য দিয়ে সমসাময়িক সাহিত্যের জন্য নতুন সব রূপ সৃষ্টি করেছে।
উল্লেখ্য, অ্যান কারসন ১৯৫০ সালে কানাডার টরন্টোতে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৮১ সালে তিনি 'Odi et Amo Ergo Sum' শিরোনামে ধ্রুপদী বিদ্যা বিষয়ক তার ডক্টরেট গবেষণাপত্র প্রকাশ করেন। কর্মজীবনের শুরু থেকেই তিনি কবিতা রচনার পাশাপাশি অনুবাদকর্ম ও বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা চালিয়ে গেছেন।
তার প্রায় সমস্ত সাহিত্যকর্মই গড়ে উঠেছে শব্দ নিয়ে ভাষাবিদের গভীর অনুরাগ এবং নতুন অর্থের সন্ধানে কবির আকাঙ্ক্ষার এক মেলবন্ধনের ওপর ভিত্তি করে। তিনি নিজেই শব্দের ব্যুৎপত্তিকে তার যাবতীয় কাজের প্রারম্ভিক বিন্দু হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। ক্লাসিকাল গ্রিক ভাষা থেকে করা তার অনুবাদগুলোকে স্বতন্ত্র ও মৌলিক সাহিত্যকর্ম হিসেবেও গণ্য করা যেতে পারে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো, স্যাফোর খণ্ডিত কবিতাগুলোর ওপর ভিত্তি করে রচিত ‘ইফ নট, উইন্টার’ (২০০২) এবং সোফোক্লিসের ‘ইলেকট্রা’ (২০০১), ‘অ্যান্টিগোনে’ (২০১৫) ও ইউরিপিদিসের ‘বাক্কাই’ (২০১৫) এর মতো বিয়োগান্তক নাটকগুলোর অনুবাদ।