কোনো আলো ছিল না সে রাতে,
অথচ মুখোমুখি দাঁড়িয়ে পড়া কেবলই এক অসাবধানতা।
আমরা কেউ কাউকে ডাকিনি,
কোনো আগাম সূচি লেখা ছিল না প্রদীপের পাশে।
অথচ কীভাবে যেন ভেঙে গেল মেকি দেওয়াল,
দুটো ছায়া এক হয়ে গেল অচেনা মোড়ে।
আমরা ভেবেছিলাম ওটা কেবলই থমকে যাওয়া,
অথচ সেটাই ছিল আমাদের আসল পথ চেনা।
আজ কত কত দিন পার হয়ে গেল নিঃশব্দে,
শহরের রাস্তায় জমল কত ধুলো আর কোলাহল।
মানুষজন নিজেদের কাজে ছুটে চলেছে অনবরত,
আর আমরা রয়ে গেছি সেই পুরোনো ঘোরের ভেতরে।
বাইরে হয়তো অনেক ঝাপসা তর্ক জমেছে,
অনেকে হিসেব চাইছে আমাদের এই চুপ করে থাকার।
তারা জানে না, একটা হঠাৎ দেখা কীভাবে
ভেতরের সব শূন্যতাকে এক লহমায় ভরিয়ে দিতে পারে।
আমরা এখনো সেই অদ্ভুত আনন্দটুকু বুকে নিয়ে
হেঁটে চলি দৈনন্দিন অভ্যাসের মাঝখান দিয়ে।
কেউ টেরও পায় না, আমাদের হাসির আড়ালে
ভেসে উঠছে সেই প্রথম আলোর নীরব ইশারা।
সব দেখা তো আর উত্তর খোঁজার জন্য হয় না,
কিছু দেখা স্রেফ থমকে দাঁড়িয়ে থাকার জন্য।
আমরা আজও সেই থমকে যাওয়ার ভেতরেই
নিজেদের খুঁজে পাই রোজ, নতুন কোনো নামে।