মুখের আদলে বদলেনি অলিগলিতে নক্ষত্র যত,
খেলেছে অসাধু; কদাচিত, বক্ষ করেছে ক্ষত।
চিতার আগুনে পুড়েছে তবু ছাড়েনি চোক,
আকাশে-বাতাসে হাড়ের গন্ধ, ছাইগুলোর দিবালোক।
চালার গড়ানো জল, করিয়েছে মাথানত,
মানব তুমি ঢের একাকি;
অসার প্রাণে তোমার সমাজের, কি-বা এসে যেত!
নিঃস্ব তুমি ক্ষমতালুপ্ত স্বপ্ন বিলাসী।
উচ্চরবে মৃত আত্মার কতটা উত্তোলন হতো?
এক নক্ষত্রের বীর্যের কোষে তুমিও লুকিয়ে ছিলে,
বিলিয়ন কোষেও তুমিই জিতেছ। অবসাদগ্রস্ততা কিসে?
গভীর অনিশ্চয়তার নাভিমূলেও এক সানুদেশ পেয়েছিলে।
উপলব্ধি? সে তো ক্রান্তীয় রেখায়, সান্নিধ্যের বাইরে।
তুমি অলোক নীহারিকার বিস্তৃত রজনী,
বিশ্বজমিনের সমস্ত স্পন্দাঙ্কে তোমারই স্পর্শ ছিল।
তুমি টেলিস্কোপ লেন্সে আঁকা অগ্নিশিল্পী।
ছায়াপথের অভিশাপে কেন কেড়ে নিল?
রোগক্লিষ্ট বৃদ্ধরা রয়েছে তোমার ছায়াতলে,
সৃজিত দালানের সজ্জায় তারা; ম্লান দহলিজে।
নির্বোধ তুমি রাস্তা খোঁজ, নিকন্টক ধূলিতে।
এ গ্রহে প্রবীণের ঢেউ, তারারা স্রোতে ভাসে।
সুপ্ত হারিকেনের ফিতাও পরিশেষে জ্ঞানের গর্ভ মেলে।
#হাবিব_রহমান #কবিতা