সমাজ কহে, এই তেইশ বছরে কি করেছো?
ভাবটা এমন যেন তেইশ বছরে
আমি অর্ধেক পৃথিবী জয় করব।
যেন আমরা সেই ২হাজার বছর পিছিয়ে আছি,
কয়জনই বা আলেকজান্ডার হতে পারে?
বড়ই গাছের নিচে বসে আমিও ভাবি একলা মনে,
কি করেছি এতোগুলো বছরে?
টুকটাক বই পড়া আর কিছুগল্প লেখা ছাড়া
তো সম্বল বলতে কিছু নেই আমার।
তারপর দূরের কাক দেখে সস্তি পাই,
সবার গন্তব্য তো এক না।
পশু-পাখিরা টাকা কামায় না বলে কী তারা ব্যর্থ?
তারাও তো সুখে আছে ডালে ডালে গাছের পাতায়।
তাদেরকে তো সমাজ কখনও আঙুল তুললো না।
যেখানও তারাও সামাজিক প্রানী।
তেইশ বছরের যুবক আর কতটা সফল হবে?
তার কি বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার থাকবে?
কয়টা ছেলের এই বয়সে এতো টাকা,
যেসব ছেলে পেয়েছে টাকা সবই তো পিতৃসম্পত্তি।
তার বাইরে নিজে কত টাকা কামিয়েছে ও জমিয়েছে?
দিনশেষে তেইশ বছরে একটা যুবকের জীবন মাত্র শুরু,
দ্বায়িত্ব নেওয়া শুরু হবে শ্রীঘ্রই।
একদিকে প্রেমিকা বিয়ের কথা বলবে,
আরেকদিকে সেই যুবক নিজের ক্যরিয়ার চিন্তা করবে।
তবুও কি প্রেমিকা তাকে বোঝে?
ক্যরিয়ার থাকে না বলে অনেকের পূর্ণতা পায় না,
আবার অনেক ছেলে আজকাল অল্পবয়সে বিয়ে করে
ক্যরিয়ার ধ্বংস করছে শেষ বয়সে আফসোস করছে।
তাহলে সমাধান কি এটাই প্রেম ই না করা,
করলেও এরকম মেয়ের সাথে করা
যে পড়াশোনা শেষ করে বিয়ে করবে।
এতো তোমরা দুজনই সময় পাবে নিজেদের
গুছিয়ে নেওয়ার জন্য।
জীবন তো শুরু এখনও অনেক কিছু দেখা বাকি,
নিজের সন্তানকে কোলে নেওয়া বাকি,
স্ত্রীর কপালে চুমু খাওয়া বাকি,
তাকে নিয়ে হাত ধরে আজীবন পাড় করা বাকি।
জীবন তো সবেই শুরু।
#তেইশ
#রুদ্র_সিয়াম