তোমাকে পাওয়ার পর বুঝেছি রোদের ভিতরেও নীরবতা থাকে,
যেমন একবিংশ শতাব্দীর এই শ্রাবণ সন্ধ্যায় নদী খোঁজে সমুদ্রের মুখ।
আমি কোনো রাজকীয় কবি নই, সাধারণ এক পথচারী মাত্র,
তবু তোমার ওই দুচোখে তাকালে বুক চিরে নেমে আসে কবিতার সুর।
তুমি যখন চুলে আঙুল জড়িয়ে হেসে ওঠো কলেজের মাঠে,
শহরের সমস্ত লাল বাতি এক নিমেষে সবুজ হয়ে যায়।
মানুষ বলে ভালোবাসার শেষ পরিণতি নাকি এক গভীর নিঃসঙ্গতা,
আমি বলি তোমায় ছোঁয়ার ভেতর বেঁচে থাকে চিরন্তন প্রাণের স্পন্দন।
কতদিন নিখোঁজ ছিলাম নিজেরই অচেনা গলির অন্ধকারে,
তুমি এসে হাত ধরতেই থমকে দাঁড়াল জীবনের সব ক্ষয়িষ্ণু ইতিহাস।
এখন আর আমার কবিতার কোনো নাম রাখার প্রয়োজন পড়ে না,
তোমার নামটাই আমার লেখার শেষ এবং শ্রেষ্ঠ অলংকার।
যদি একদিন নিঃশেষ হয়ে যায় পৃথিবীর সমস্ত উপমা আর শব্দমালা,
জেনে রেখো, আমি তোমার হাসির রেখা হয়ে ফুটে থাকব নিরবতায়।