Story

হুজুরের মেয়ে

October 20, 2026

6 views

রনি: দোস্ত। হুজুরের মেয়েকে আমার ভালোলেগেছে৷ যেভাবেই হোক। ওকে আমি পটাবো।

শামীম: দেখ। ও মেয়ে তো খুব ভদ্র। রাস্তা দিয়ে বোরকা পড়ে চোখ নামিয়ে হেটে যায়৷ তুই মেয়েটার লাইফ নষ্ট করিস না।

রনি: আরে। তুই বেশি বুঝোস। ওই মেয়ে আমাকে ভালো না বাসলে আমি ওকে এসিড মারবো।

শামীম: যা করার ভেবে চিন্তে করিস।

হঠাৎ রনি দেখলো হুজুর আসছে এদিকে।

রনি: আসসালামু আলাইকুম। হুজুর।

হুজুর: ওয়ালাইকুম সালাম।

রনি: একটা কথা কই। যদি রাগ না করেন।

হুজুর : জ্বী বলো।

রনি: আপনার মেয়েরে আমার ভাল্লাগছে। বিয়ে করতে চাই।

হুজুর: আলহামদুলিল্লাহ। তা তো ভালো কথা৷ তবে আমি নিজের নেয়ে এক নামাযীর সাথে বিয়ে দিব। তুমি তো নামায পড়ো না।

রনি: যদি আমি নামায পড়ি। তাহলে বিয়ে দিবেন তো? কথাটা মনে থাকবে?

হুজুর: যদি তুমি আমার পেছনের কাতারে ৪০ দিন ধরে নামায পড়ো। তাহলে ৪১ তম দিনে আমি নিজ হাতে আমার মেয়ে তুলে দিব।

কথাটা শুনে লাফাতে থাকে রনি। খুশিতে বড় চুল ছোট করে৷ গায়ে পান্জাবি পড়ে আতর লাগিয়ে নামায পড়তে যায়। প্রথম প্রথম তার সকালে ঘুম ভাঙতো না। পরে অভ্যেস হয়ে যায়৷ এভাবে সে দিনের পর দিন নামায পড়ার কারনে তার খারাপ অভ্যাসগুলো চলে যায়। সে এখন মেয়েদের দিকে তাকায় ও না। তার মন নরম হয়ে আসে। তার ভেতরের পশু চলে গিয়ে সেখানে আলো চলে আসে। সে এক অন্যরকম প্রশান্তি অনুভব করে।

৪১ তম দিনে। রনি নিজের ভুল বুঝতে পেরে হুজুরের পা ধরে মাফ চায়। হুজুরও তাকে ক্ষমা করে দেয়। আর নিজের কথা রাখে৷ নিজের মেয়ের সাথে তাকে বিয়ে দেয়।

এভাবেই কিছু ছেলে দ্বীনের পথে চলে আসে। অন্ধকার থেকে আলোর পথে চলে আসে৷ আল্লাহ সবাইকে হেদায়েত দান করুক৷ আমিন.

গল্প: #হুজুরের_মেয়ে
(Rudro Siyam)

Picked up where you left off

Comments

Be this story’s first reader

+20 XP

Nobody has commented yet. Sign in, read it, and be first with a thoughtful comment to earn the bonus.

Sign in to claim

    Please login to post comment. Login