রিন্টু মহিলাকে চাকু দেখিয়ে বলল, খুল খুল খুল তোর জামা খুল। দেখি তোর *****।
ভয় দেখি রিতু নিজের জা*** খুললেন। একবার তাকালেন উনার স্বামীর (ইকবাল) দিকে। ইকবাল চমশা পড়া ৪০ বছরের ভদ্রলোক। উনার হাত পেছন দিয়ে বাধা দড়ি দিয়ে।
আজ উনার বাসায় ৩জন ডাকাত এসেছে। রিন্টুকে উনি চিনেন। এই বাড়ির ময়লা নিতে আসতো। ওর সাথে আরো ২জন আছে। তাদের নাম পলাশ (বাড়ির দারোয়ান), কৈলাশ (গরুরদুধ দিতে আসতো।) এরা ৩জনে মিলে রাত ৩টায় ডাকাতি করছে ইকবাল এর বাসায়।
ইকবাল রিতুর দিকে তাকিয়ে লজ্জায় মাথা নিচু করে ফেললেন। ইকবাল মনে মনে বললেন, মানুষের পরিস্থিতি কত খারাপ হলে যারা একসময় চোখে চোখ রেখে কথা বলতে পারতো না। তারা আজ আমার সম্পত্তি নগ্ন করছে। আমি তো কারো ক্ষতি করিনি। কিন্তু ভাগ্যের কি নির্মম উপহাস। আমার বাসায় ডাকাতি। তাও এই রিন্টু যখন ময়লা নিতে আসতো। তাকে সবসময় ২০, ৩০টাকা করে দিতাম। গরীব ঘরের ছেলে মায়া হতো সেই ২৫বছরের রিন্টু আজ। আফসোস ও কষ্টে বুকটা ভরে গেল ইকবাল মিয়ার।
রিন্টু রিতুর বু* দেখে বলল, কি মাল রে বাবা। উফ **** উচু উচু।
তারপর রিন্টু হাত দিয়ে *** টিপতে লাগলো। লজ্জা ও ঘৃনায় রিতুর মন ভরে উঠলো। উনি অন্যদিকে মুখ করে রাখলেন।
কৈলাশ দাড়িয়ে ছিল ইকবাল এর সামনে। আর পলাশ রুমের আলমারি তল্লাশি করছে টাকা পয়সা,গয়না সব বের করছে।
কৈলাশ ইকবালকে বলল, দেখ তোর বউকে কিভাবে খায়?
ইকবাল কিছু বললেন না। ইকবাল মনে মনে বললেন, জানোয়ার কোথাকার।
কিছুক্ষণ পর পলাশ এসে বলল, রিন্তু তুই এই মাগি নিয়ে পড়ে আসিস। ওদিকে তোর ঘরে একটা লকার। পাসওয়ার্ড দিলে খুলবে।
কৈলাশ ইকবালকে বলল, লকারের পাসওয়ার্ড কী?
ইকবাল চুপ করে আছেন?
কৈলাশ টেবিল থেকে হাতুরী নিল। তারপর আবার প্রশ্ন করলো, খানকিরপোলা লকারের পাসওয়ার্ড কী?
ইকবাল এখনও চুপ। কৈলাশ যখনই হাতুরী তুললো মারতে যাবে। অমনি সময় পাশ থেকে রিতু পাসওয়ার্ড বলে দিল। রিতু বলল, ৬৬৬৬। এটা পাসওয়ার্ড।
খুশিতে লাফাতে লাগল পলাশ। তারপর লকারে পাসওয়ার্ড দিতেই লকার খুলে গেল। লকার ভেতরের জিনিস দেখে পলাশ অবাক হয়ে তাকিয়ে রইলো। পলাশ মনে মনে বলে উঠলো, ও মোর খোদা।
এদিকে কৈলাশ রিন্টুকে বলল, অনেক খাইসোস মাগিরে এবার আমি ****।
ইকবাল হঠাৎ বলে উঠলেন, তোমরা যা করেছো অনেক হয়েছে। এবার টাকা পয়সা নিয়ে বিদেয় হও। আমাদের ছেড়ে দাও।
কৈলাশ মাথা চুলকে হেসে ফেলল। কৈলাশ ইকবালের বুকে লাথি মেরে বলল, খানকিরপোলা তোরে ছাইড়া দিমু। পরে পুলিশ দিয়া ধরায় দিবি। জানি। এইসব মুভিতে দেখসি। সো আমরা এই ভুল করুম না। আমরা ইসমার্ট ডাকাইত। হাহাহা।
ইকবাল রাগে ও কষ্টে দাতে দাত চেপে রাখেন।
কৈলাশ রিতুকে নিয়ে পাশের রুমে যায়। আর ইকবাল এর সামনে থাকে রিন্টু।
কৈলাশ রিতুর **** খুলে ফেলে। রিতু প্রথমে বাধা দেয়। তবে পরে ঠান্ডা হয়ে যায়। কারন রিতু কৈলাশকে রাগাতে চায় না। রিতু অবশ হয়ে খাটে শুয়ে থাকে। তারওপর এক জানোয়ার উঠে পড়ে। এক আকাশ পরিমান বুক ভারী হয়ে আসে রিতুর। যা সেই জানোয়ার দেখে না।
ইকবাল মিয়া দরজায় ফাক দিয়ে দেখে একটি পশু তার ফুলকে ছিড়ে খাচ্ছে। খাট এমনভাবে নড়ছে যেন ভেঙ্গে যাবে।
[ ডাকু ছোটগল্প]
#রুূদ্রসিয়াম