ঝঞ্ঝার মতো উত্তাল হয়ে রুখতে হবে অন্যায়
বজ্রশিখায় জ্বালো আগুন কাঁপুনি এই ধরায়
ঝড়ের মতো ক্ষুব্ধ হয়ে দূর করো অনাচার।
ভাঙতে হবে অন্ধকারের সকল অবিচার।
ঘুমিয়ে থাকার সময় তো নেই জাগো তরুণ প্রাণ
শোষণমুক্ত নতুন ভোরের গাও বিজয়ী গান।
রক্তে দোলা লাগুক এবার বক্ষ জুড়ে বল
শত্রুসেনার দুর্গ ভেঙে ফেলো রে চঞ্চল।
বজ্রপাতের গর্জন তোলো পদতলের ঘাসে
মিথ্যে মায়ার চাদর ফেলে বাঁধো বুকের পাশে।
শির নত নয় উন্নত রাখো নির্ভীক এই দেশে
মানবতার ঝাণ্ডা উড়ুক সত্যের আলো বেশে।
স্বৈরাচারের কালো শিকল ভাঙতে হবে আজ
ভীরুর মতো নীরব থাকা নয় বীরের কাজ।
অন্যায়েরই বিষবৃক্ষ উপড়ে ফেলো মূলে
ন্যায়ের তরী ভাসাও দেখি মুক্তির অনুকূলে।
চোখে থাকুক বহ্নিশিখা কণ্ঠে ঝড়ের সুর
পাপের যত রাজপ্রাসাদ করবি তোরা চুর।
বুকের ভেতর বারুদ নিয়ে হাঁটো জয়ের পথে
আলোর রবি আসবে ফিরে ন্যায়ের সোনার রথে।
দুঃখ ভুলে জাগুক কোটি শোষিত জনতার মন
হাতে হাত রেখে গড়বো নতুন এক ভুবন।
রুদ্রনাচের ছন্দ তোলো পায়ের নূপুর খুলে
মিথ্যের যত ফণাধারী যাক নিমিষে ধূলে।
যুগান্তরের জমাট ব্যথা হোক রে প্রতিবাদ
ভেঙে ফেলো শোষণকালের সকল অপবাদ।
আমরা তো নই পিছু হটার সংগ্রামী সন্তান
বুকের তাজা রক্ত ঢেলে রাখবো দেশের মান।
তিমির রাতের শেষ সীমানায় রক্তরাঙা ভোর
অত্যাচারীর ভাঙবে এবার অহংকারের জোর।
কণ্ঠে তোলো সাম্যের গান মুক্তির কলতান
ভেঙে গুঁড়িয়ে দাও রে পাপীর যত বিষের বাণ।
ঝড় হয়ে ওঠো তূফান হয়ে বইয়ে চলো বেগ
মুছে যাক সব গ্লানির দাগ কালো আঁধার মেঘ।
সামনে চলো বিজয় নিশান উড়িয়ে সমতলে
শান্তি আসুক হাসুক ভুবন ন্যায়ের পুণ্যজলে।
রুখে দাঁড়াও বজ্রকঠিন ভাঙো নিঝুম ঘুম
পাপের প্রাচীর ধ্বংস করে জ্বালো সত্যের ধুম।
ঝঞ্ঝার মতো উত্তাল হয়ে আনো রে অধিকার
ঝড়ের মতো রুদ্র হয়ে দূর করো অনাচার।