আমরা অন্ধকার হাতড়ে ফিরছি,
অন্ধের মতো রূপ ও অরূপকে ছুঁতে চাই।
আমাদের এই স্থূল মাংসের চোখে কেবল
বস্তুর ছায়াবাজি আর সীমানার প্রাচীর।
যেদিন আত্মার গহীনে সত্যিকারের দেখার চোখ ফুটবে,
সেদিন হয়তো অনন্ত আলোয় উন্মোচিত হবেন পরম স্রষ্টা।
কিন্তু সেই দিব্যচক্ষু আমাদের কবে লাভ হবে?
কবে ভাঙবে এই নশ্বর বাসনার ঘোর, এই চেতনার আদিম তিমির?
নাকি আমরা চিরকালই অন্ধ থেকে যাব নিজেদের ক্ষুদ্র অহংয়ের খাঁচায়,
আর সৃষ্টির আসল রহস্য আমাদের অদেখাই রয়ে যাবে অনন্তকাল?