আবির অনেক জায়গায় ডক্টর দেখিয়েছে। তার শরীর স্ক্যান করে, পরীক্ষা করে কোন রোগ পাওয়া গেল না। আবির হতাশ হলো, তার রোগটা কী? তা সে বুঝছে না।
হাসপাতালে গেলেই ডক্টররা বলে, এই ঔষধ খান। ওই ঔষধ খান। রোগ সেড়ে যাবে।
ডক্টররা খুব তাড়াতাড়ি লোক আসছে, যাচ্ছে৷ আর উনিও তাড়াহুড়া করে একেকজনকে দেখে ঔষধ লিখে বিদায় দিচ্ছে। আবিরের মনে প্রশ্ন আসে, যদি ৮০০টাকা করে ১০জন রোগী দেখে প্রতিদিন। তাহলে ১দিনে হয় ৮০০০ টাকা। অনেক টাকা। (কিন্তু বাস্তবে এ আই বের হয়েছে। তাই ডক্টরদের অবস্থা খারাপ।
আবির এবার গেল সাইকেট্রিস রুহির কাছে। রুহি আজ কালো শাড়ি পড়েছে। সে সবসময় হাসি মুখে কথা বলে। আবির রুহিকে দেখে অভিভূত হলো। তার মন হঠাৎ প্রশান্তি পেল।
আবির বলল, আমার একটাই রোগ। আমার বুক প্রচন্ড ঝালাপোড়া করে৷ মাঝরাতে ঘুম ভেঙ্গে যায়৷ শ্বাস নিতে কষ্ট হয়। অনেক ডাক্টার দেখিয়েছি কাজ হয়নি।
রুহি বলল, এটা তো মিস্টার শরীরের রোগ না। এটা মনের রোগ। ভালোবাসার অভাবের রোগ। এই রোগ প্রেমে পড়লে দূর হবে।
আবিরে ঠোঁটে হাসি রেখে বলল, আমি আমার ঔষধ পেয়ে গেসি। আবার দেখা হবে।
রুহি হাসছে। লাজুক হাসি, হাসার সাথে তার হাতগুলো পেছনে দিয়ে হালকা দুলছে আর হাসতাসে।তারপর বলল, আমার টাকাটা দিয়ে যান।
আবিরও হাসলো বলল, টাকা পরে দিব ম্যডাম। আসি।
ছোটগল্প: ভালোবাসার ডক্টর
লেখক: রুদ্র সিয়াম