রনি তার বয়ঃসন্ধিতে বুঝতে পারলো তার মেয়ে নয় ছেলে পছন্দ। সে ছেলেদের প্রতি আকর্ষণ বোধ করে। মাঝে মাঝে সে বাসায় খালি থাকলে তার মায়ের থ্রিপিছ গুলো পরিধান করে। নিজেকে আয়নায় দেখে, নিজেকে মেয়ে ভাবতে তার ভালো লাগে।
একবার ফেসবুকে এক ছেলের সাথে তার পরিচয় হয়। ছেলেটার বাসা ছিল গাজীপুর, আর রনির বাসা মতিঝিল। ছেলেটা তাকে দেখা করতে বলে। রনিও রাজি হয়।
মতিঝিল থেকে সকাল ১০টায় রনি কাউকে কিছু না বলে রওনা দেয়। তারপর গাজীপুরে সেই ছেলের সাথে দেখা হয়। ছেলেটা তাকে তার বাসায় নিয়ে যায়৷ বাসা ফাঁকা থাকায় ছেলেটা রনিকে জোর জবরদস্তি করে। এতে রনি খুব ব্যথা পায়৷ কিন্তু পরে তার ভালোলাগা শুরু হয়। সে বিষয়টা উপভোগ করে। ছেলেটাকে ভালোবাসতে শুরু করে।
কিন্তু তার কিছুদিন পর রনি জানতে পারে, ছেলেটা শুধু তার সাথেই ফিজিক্যাল করেছে তেমন না। আরো অনেকের সাথে করেছে। রনির মন ভেঙে যায়। সে বুঝে এই সমকামি দুনিয়ায় সবাই শুধু শরীর চায় কেউ মন তাকে চায় না।
একদিন শুক্রবারে সে জুম্মার নামাযে যায়। সেখানে খুৎবা হচ্ছিল৷ হুজুর বললেন, হযরত লুত আ: এর যুগে সমকামিতা ছিল এক জাতী। পরে আল্লাহ তাদের গজব দিয়ে ধ্বংস করে দিয়েছেন।
রনি বুঝে সমকামিতা তার ধর্মে গ্রহনযোগ্য না, তবুও সে সমকামিতা চালিয়া যায়। বহু ছেলের সাথে সে ফিজিক্যাল করে।
হঠাৎ তার একটা রোগ ধরা পড়ে HIV ডক্টর বলে তুমি ৬মাস বাচবে।
রনি মারা যাচ্ছে সে যখন বিছানায় শুয়ে তার শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলো। যখন ডার সামনে মৃতদূত এসে হাজির। তখন সে চেষ্টা করলো কালেমা পড়তে। কিন্তু পারলো না।
আল্লাহ তাকেও ধ্বংস করে দিলেন।
ছোটগল্প: একজন সমকামি
লেখক: রুদ্র সিয়াম