আমি সবসময় কাক হতে চাই,
পাহাড়ের চুড়ায় দাড়িয়ে পুরো শহর দেখতে চাই।
মানুষের দলেরা কিভাবে ব্যস্ত হয়ে হেটে চলেছে,
তাদের এতো ছোটাছুটি কিসের?
তাদের পথ আটকে দাঁড়ায় কে?
এটা কি সক্রেটিস চাচা?
উনার তো নিজের সংসারে মনোযোগ দেওয়া উচিত?
উনিও কি কাক?
সক্রেটিস চাচা হয়তো কাকের সাথে তর্ক করতো।
সক্রেটিস চাচা বলিতো, ওহে কাক।
তোমরা এতো বুদ্ধিমান তাহলে রাস্তার নোংরা খাও কেন?
কাক আমি বলিতাম, আপনি যেমন প্রশ্ন করে সমাজের
আবর্জনা খেয়ে ফেলেন।
আমরাও কাকরা একই কাজ করি।
সক্রেটিস আনমনে প্রশ্ন করিত নিজেকে আমি কি কাক?
এথেন্স ছেড়ে হয়তো চলে যেতাম জার্মানের কাছে,
সেখানে নিটশে চাচা বসে ভালোমন্দ নিয়ে চিন্তিত।
কাকআমি দেখে উনি বললেন, ভালো কি মন্দ কী?
কাকআমি বলিলাম, ভালো এটাই মানুষরা আবর্জনা দেয় আমাদের।
মন্দ এটাই আমাদের ঘৃনা করে সমাজ।
নিটশে চাচা নতুন করে ভাবতো
তখন গুড এন্ড ইভিল
নিয়ে হয়তো কাক এন্ড মানব নিয়ে লিখতে বসতেন তখন।
এতোকিছুর পরও আমি থাকতাম না,
সোজা চলে যেতাম রাশিয়ায় বরফের দেশে।
যেখানে কাঠের ঘরে বসে তলস্টয় দাদু গল্প লিখে।
তলস্টয় কাকআমি দেখে খানিক বিরক্ত হতেন।
তিনি প্রশ্নও করতেন না সরাসরি তাড়িয়ে দিতেন।
কারন লেখায় চমৎকার হলেও মানুষটা ভন্ড ছিলেন।
#কাকআমি
#রুদ্র_সিয়াম