রাতগুলো গাঢ় হলে আমি হই মুখরিত একা
তারাদের প্রতিবেশে কথা দিই বলব না কথা
নীরবতা ছুঁয়ে বুঝি সরবতা ছাড়া নেই কোন
অস্তিত্ব নীরবতার। প্রথাগত একাকীত্বে এসে
আমি হই পেশাদার কথাকার নিজের ভেতর
যতদূর পথ চিনি ছুটে যাই; শেষে এসে দেখি
অপার কথক যেন আমারই বিপরীতে আমি
পণ্ড হয় কসরত; অলিখিত কোন অধ্যাদেশে।
যাপনের অভিধানে নীরবতা লুকিয়ে রয়েছে
আগামীর কোন এক প্রতিবেশে হিরণ্ময় হতে
আমি একা সন্তর্পণে সময়ের ভেতরে তাকাই
ছায়া ছয়া লাগে সব মানুষের চাওয়ার বিষয়
নতুন পথের টানে ফের ছুটি স্বাধীনতা পেতে
অবশেষে ফের পাই আমারই বিপরীতে আমি
নীরবতা হেসে হেসে মুখরতা আনে প্রতিদানে
পাতাদের গায়ে লাগা বাতাসের ছন্দময় তালে।
এখানে জীবন চলে- জীবনের নিজস্ব গতিতে
বাকিসব সান্ত্বনাতে কেটে যায় অলোক নিয়মে।