আমি এখন বাঁচতে চাই,
আমি মৃত্যুর পরও বাঁচতে চাই।
যতদিন জীবিত আছি,
আমি প্রতিটা মূহুর্ত বাঁচতে চাই।
মৃত্যুর পরেও আমি মানুষের মনে থাকতে চাই,
মানুষের মুখ থেকে আমি কথা হয়ে ঝড়তে চাই,
আমি মৃত্যুর পরেও বাঁচতে চাই।
আমি জীবিত আছি,
আমার অস্তিত্ব আছে।
আমি পুড়ে ছাই হয়ে গেলেও
আমার অস্তিত্ব পরিপূর্ণ চাই।
আমি ঈশ্বরকে খুঁজেছি,
আমি মানুষ বুঝেছি,
জীবিত অবস্থায়,
আমি বারংবার নিজেকে গড়েছি।
আমি জানি আমি মৃত্যুর পরেও থেকে যাব,
কারও মুখের বুলি হয়ে,
কারও ঘরের সৌন্দর্য বাড়িয়ে,
কারও জন্য জীবন্ত অস্তিত্ব হয়ে,
কারও জন্য চিন্তার খোরাক হয়ে,
কারও জন্য আশা হয়ে,
কারও জন্য নিরাশা।
কারও জন্য বন্ধু হয়ে,
কারও জন্য শুধুই পরিচিত।
কারও জন্য হাসি হয়ে,
কারও জন্য চোখের কোনে জল হয়ে,
কারও জন্য স্মৃতি হয়ে,
কারও জন্য শাটলের অজানা যাত্রী হয়ে,
আমি থেকে যাবো,
থেকে যাবো সবার মধ্যে আমি হয়ে।
Comments
First reader
You were first.
+0 XP
Yours is the first word this story has heard. Its writer will see it.
You also earned the First Reader honour.
-
-
মানুষের এ এক প্রাচীন চাওয়া। জীবনানন্দও চেয়েছেন ধান শালিকের বেসে আবার ফিরে আসতে৷ শাটল ট্রেনের কথা সবাই সহজে বলে না যদি না সে চট্টগ্রামের বাতাস না চিনে। ভালো লাগলো কবিতাটি।