Poetry

অন্ধকারের দর্পণ

November 6, 2026

7 views

দশটি বছর কেটেছে যে নদীর বাঁকে,

আজও তার নাম বুকের ভেতর রক্তক্ষরণ রাখে।

সে তো আমার আকাশ ছিল না, ছিল এক মায়া প্রান্তর,

যেখানে প্রদীপের আলো ফুরালে নামে কেবল দীর্ঘশ্বাস আর অন্ধকারের ঘর।

তার দুই শিশু, তার অসুস্থ সংসার—সব জেনেশুনেও,

আমি তো তাকেই সঁপে দিয়েছিলাম আমার সর্বস্ব ও জীবন-ধন।

সে শুধু ব্যবহার করেছে, বাসেনি তো ভালো কভু,

তবু অবুঝ মন আজও তাকেই ডেকে যায় আপন প্রভু।

সমাজ আমায় দেগেছে কপালে ‘কুলটা’ নামের কালি,

হাজারটা আঙুল উঠেছে দিকে দিকে, দেয়নি কেউ বালি।

তারা কি জানে এই হৃদয়ের ভেতরে কতটা আগুন জ্বলে?

তারা কি দেখেছে চোখের জল কীভাবে গোপনে গলে?

পুরুষের পাপে নারীর কপালে জোটে শুধু অপবাদ,

সমাজের চোখে আমিই অপরাধী, আমিই যেন বিষাদ।

শরৎদার সেই অভাগিনী দামিনী কিংবা রমার মতো,

বুকের ভেতর লুকিয়ে রেখেছি ব্যথা শত শত।

লোকে বলুক যা খুশি আজ, সমাজ ছুঁড়ে দিক পাথর,

এই ভালোবাসার দহন চিনেছে কেবল আমার পুড়ন্ত অন্তর।

সবাই তো শুধু খোলস দেখেছে, দেখেনি ভেতরের ক্ষত,

তবু এই বুকে সে আজও বেঁচে আছে—বেদনার মতো,

পরম যত্নে শত!

Picked up where you left off

Comments

Be this story’s first reader

+20 XP

Nobody has commented yet. Sign in, read it, and be first with a thoughtful comment to earn the bonus.

Sign in to claim

    Please login to post comment. Login