আমি আমারে মাইরা ফেলছি,
আমারে মাইরা ফেলছি জন্মের পরেই।
তাতে অবশ্য আমার কোনো সাজা হয়নাই।
সেই মরণের পরে আমি আইসা জুটছি এক চমৎকার হত্যামঞ্চে।
যেই মঞ্চে হাজার রঙ্গের ঝলমলানো আলোর খেলা,
যেইখানে সবাই সবাইরে মারতে চায়,
খালি নিজেরে মারতে চায় না।
চকচকা ধারওলা ছুরিগুলা মুষ্টি কইরা উপরে তোলা,
সুযোগ পাইলেই ঢুইকা যাইবো কারো পিঞ্জর ভেদ কইরা।
নিজের কইলজাও বাঁচাতে হইবো, নাইলে খেল খতম।
আমি নিজেরে মাইরা বাঁইচা গেছি, ছুরি নিয়া ঘুরতে হয়না।
রক্ত মাখা হাত লুকাইতে হয়না চক্ষের ভীড়ে।
সেদিন একটা তাগড়া জুয়ান একটা বাচ্চা পোলার বুকে ছুড়ি বিন্ধাইলো,
তারপর হাসতে হাসতে হাতের রক্ত মুছলো পাঞ্জাবির হাতায়।
কি জানি কি দোষ করছিলো পোলায়, আর না করলেই বা!
এইখানে থাকতে হইলে বুকের মধ্যে ছুরি লইয়াই থাকতে হইবো,
এইখানে থাকতে হইলে মরতে হইবো প্রত্যেক দিন।
ঐযে , ঐ আবার একটা মরলো, মঞ্চে তখন চকচকা লাল আলো।
দর্শক কান ফাটানো শব্দে করতালি দিয়া উঠলো।
আরেকজনরে মরতে দেখলে দর্শক বিরাট খুশি হয়,
হাততালির জোয়ার ওঠে।
দর্শক কে?
যারা মইরা যায় হেরাই দর্শক।
২৬ জুন ২০২৫ || পাবনা