Posts

গল্প

মানকন্যা ও নাগরাজের প্রেম কাহিনী।

July 28, 2026

Mdrahel Islam

17
View

গল্পের সপ্তম অংশ                                              নীলিমার কথা শুনে আকাশ বলল তুমি কি ভেবেচিন্তে বলছো। নীলিমা  বলল হ্যাঁ। আকাশ বলল তাহলে তুমিও আমার একটা কথা শোনো, তোমার বাবা আমার বাবার কাছ থেকে অনেক টাকা পয়সা নিয়ে তোমার মা চিকিৎসা করেছিল। কিন্তু আমার বাবা তোমাদের সাহায্যের জন্য কোন ঋণ রাখেনি। কিন্তু আমি আমার বাবার টাকা গুলো ফেরত চাই। তা না দিতে পারো তাহলে আমার প্রস্তাবে রাজি হয়ে যাও। না হয় টাকা ফেরত দাও বিয়ে বাতিল কর। না হয় তোমার মর্জি। নীলিমা বললো  দেখুন আমি আপনার মন ভাঙতে চাইনি। কিন্তু আমি এখন নিলয়ের সত্য জানতে পেরেছি। সে আমাকে ঠকায়নি।  ঠকিয়েছে তো তার মা।এ কথা আমি আপনাকে আগেও বলেছি। প্লিজ আপনি একটু বোঝার চেষ্টা করুন। আকাশ বলল আমার কিছু বোঝার দরকার নেই। নীলিমা বলল, আপনি এরকম কিভাবে করতে পারেন। আপনার বাবা তো একজন সৎ ব্যক্তি ছিলেন। যিনি সাহায্যে বদলে কোন কিছু চাননি।তাহলে আপনি কিভাবে কোন কিছু চাচ্ছেন। তখন আকাশ বলল,কোন কিছু একটা ভেবে বলো  আমি তোমার বাজে কথা শুনতে চাই না। বুঝেছ আমি ফোন কেটে দিলাম তোমাকে সময় দিলাম ভাবার। ফোন কেটে দেয়ার সাথে সাথেই নীলিমা নিলয়  কে সব খুলে বলল। নিলয় বলল ও এরকম কিভাবে করতে পারে। আচ্ছা নীলিমা তোমার মায়ের অপারেশনের টাকা পরিমাণ কেমন ছিল।  নীলিমা বলল, প্রায় ১৫ লক্ষ টাকা। তাছাড়াও উনি আমাদের কে আরো অনেক টাকা পয়সা দিয়ে সাহায্য করেছেন। সব মিলিয়ে তো মনে হয় ৩০ লক্ষ্যের মতো হবে। নিলয়  বলল, আমাকে একটা টাকার ব্যবস্থা তোমাকে করে দিতে হবে। আমার মায়ের নামের সবকিছু লেখা আছে। আমার মায়ের কাছ থেকে আমায় টাকা চেয়ে নিতে হবে। মেয়েটি বলল না তোমার টাকা  চাওয়ার দরকার নেই। কারণ উনি টাকা দেবেন না।  নিলয় বলল একবার চেয়ে দেখি না কি হয়। নিলয় তার মায়ের ঘরে গেল। নিলয়  বলল মা আমার ৩০ লক্ষ টাকার প্রয়োজন। মা তুমি আমাকে টাকা দেবে তো।  বিনীতা দিদি বলল, তুমি আমার সাথে যে ব্যবহার করেছ তাতে আমি তোমাকে এক টাকাও দেব না।  সে তার মাকে সব খুলে বলল তারপরেও তার মা না বলল। অনামিকা  বাইরে থেকে  সব দেখতে পেলে  । নিলয় বাইরে বেরোলে অনামিকা  নিলয় কে বলল, তুমি  অযথা ওই মেয়ের জন্য এত টাকা খরচ না করে আমাকে বিয়ে করলো তো পারো। নিলয় বলল আমার মাথা গরম করোনা তুমি এখান থেকে চলে যাও। নিলয় তার ঘরে এলো।  নীলিমা বলল কি হয়েছে। নিলয় বলল বিষয়টি মেনে নেননি। নীলিমা বলল আমি বলেছিলাম না তোমার মায়ের উত্তর না হবে এখন দেখলে তো। তারা দুজনেই চিন্তা গ্রস্ত হয়ে পড়ল। নীলিমা ভাবতে লাগলো সে এখন কি করবে কিভাবে টাকা পরিশোধ করবে আর বিয়েটা শত সাপেক্ষে বাতিল হয়ে যাবে।                                                                                                                 গল্পের অষ্টম অংশ একটু দেরি করে আসবে।

Comments

    Please login to post comment. Login