আমি জানি আমাকে যেতে হবেই,
তাই আমার তাড়া নেই।
আমি চাই আমার বরাদ্দ সবটুকু বাতাস
ফুসফুস ছুঁয়ে আসুক।
উপভোগ করবো দৃঢ় প্রতিজ্ঞ,
প্রতিটি শ্বাস এবং প্রশ্বাসে
আমার জন্য রাখা পূঞ্জিভূত সুখটুকু।
আমার যা পাওয়ার কথা ছিল,
যত হোক সামান্যই,
আমি পেতে চাই।
আমার জন্য সঞ্চিত একটি মূহুর্তও
আমি হারাতে চাই না।
যে পাখিটি আমায় গান শোনানোর
আজন্ম প্রতীক্ষায়,
চাই না সে হতাশ হোক কিংবা ব্যথিত
আমার তড়িৎ প্রস্থানে।
যে ভোরটি দেখার আছে
তা না দেখে যেতে চাই না।
আমার তাড়া নেই কারণ
আমি জানি আমাকে যেতেই হবে।
রইস মাস্টার ওরফে কবি রইসও জানতো
তাকে যেতে হবে।
যেমন করে গিয়েছে চলে অনেকে
আর ভবিষ্যতেও যাবে বাকীরা।
তবু এতো কীসের তাড়া ছিলো?
তার কাছেই শুনেছিলাম এক প্যাকেট গোল্ডলিফ পুড়ে
জন্ম দেয় একটি কবিতার।
আর একদিন এ শহরের স্ট্রিট ল্যাম্পের আলোর সাথে
মিতালী পাতানো জ্যোৎস্না রাতে
কবি রইস বিদ্রোহ করেছিলো জীবনের সাথে।
হায় রইস তোমার যে কেন এতো তাড়া?
তোমার টিউশনি গুলোর সাথে শিউলিকেও
পেয়েছি আমি দৈব ক্রমে।
আমি চাই আমার শিউলির ঘ্রাণ শুঁকে শুঁকে
একসাথে নিঃশেষ হবো দুজনেই।
তাই আমার অতো তাড়া নেই।
11
View