ঘুম থেকে উঠেই রয়ান খুব খুশি। কারন আজ তার বিয়ে। তাও আবার তার ভালোবাসার মানুষ লিনার সাথে। তারা আমেরিকান কালচারে বিয়েটা করবে। রয়ান কোর্ট-প্যান্ট পড়বে তারপর গির্জায় তাদের বিয়ে হবে।
রয়ান দেখলো ঘরে সে একা। নিয়ামত হয়তো বাইরে গেছে। রয়ানের মনে পড়লো যে আজ তাকে ই-মেইল করে জানানো হবে যে আসল মাস্টার মাইন্ড কে? তাই রয়ান তার ল্যাপটপ টা ওপেন করলো। সেখানে একটি ই-মেইল এসেছে।
ই-মেইল ওপেন করতেই রয়ান যা দেখতো। তা সে কল্পনাও করতে পারেনি।
সেখানে স্মিথের ছবি দেওয়া আর নিচে তার নাম,ঠিকানা আর বয়স দেওয়া আছে। (রয়ানের বুঝতে বাকি রইলো না। যে স্মিথ ই আসল মাস্টার মাইন্ড। কিন্তু স্মিথ এসব কেন করলো?)
এমন সময় বাসার কলিংবেল বেজে উঠলো। রয়ানচমকে উঠলো। তার বুকের ডার্ট বিট বেড়ে যাচ্ছে ভয়ে। দরজা খুলে দেখলো বাইরে স্মিথ দাড়িয়ে আছে হাসি মুখে। স্মিথের হাতে ফুল। ( স্মিথ এসেছে রয়ানের বিয়ের শুভেচ্ছা জানাতে। কিন্তু এদিকে রয়ানের ভয়ে হাত পা কাপছে।)
স্মিথ বলল, তোমার হাত-পা কাপছে কেন?
রয়ান বলল, এটা আমার বংশগত রোগ। আমার দাদার হাত পা কাপতো। তারপর আমার বাবার হয় এই রোগ আর এখন আমার (রয়ান বানিয়ে বানিয়ে কথাগুলো বলল)।
স্মিথ তার ঘরে এসে রুমের ভেতর ঢুকে আর তার চোখ পড়ে ল্যাপটপের ওপর। রয়ান ল্যাপটপ বন্ধ না করেই তাড়াহুড়া করে দরজা খুলেছিল। তাই স্মিথ এখন ল্যাপটপের দিকে তাকিয়ে নিজের ছবি দেখে আর বুঝে যায় যে রয়ান সব জেনে ফেলেছে।
আর তখনই রয়ান স্মিথের মাথার পেছনে বারি মারে লোহা দিয়ে। এতে স্মিথ অজ্ঞান হয়ে মেঝেতে পড়ে যায়। এমন সময় দরজা লাগানো না থাকায় ঘরে প্রবেশ করে নিয়ামত। আর স্মিথ কে মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখে অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকে রয়ানের দিকে।
নিয়ামত বলে, এটা তুই কি করলি?
রয়ান বলে, চুপ! এখন তো আমি গেম খেলবো।
(চলবে.....)
[ লেখক : রুদ্র সিয়াম ]