নীলাঞ্জন মিত্তির—ব্যালকনিতে যে শাড়িটা শুকোতে দাও
লাল পেড়ে; হলদে গোলাপীর মিশেলে বেখাপ্পা ঢঙ তার
রোজ শুকোতে দাও? নাকি হাওয়া খেতে বেরুলে
এই একটি শাড়ি ছাড়া কিচ্ছুটি নেই তোমাদের?
ওই শাড়ি উড়লে মায়ের কথা মনে পড়ে
যিনি শুদ্দুর ছিলেন, সাধ করে ঘর বেধেছিলেন
আমার মুসলিম পিতার সাথে। দুজন। দুর্বিনিত।
নির্বান্ধব চেয়ে থেকে তোমাদের ব্যালকনির কথা ভাবি
নীলাঞ্জন—আমার মা ৬৪’র রায়টে নিখোঁজ
আমার নাকি বোন ছিল—বাবার মুখে গল্প শুনতাম রোজ।
ব্যালকনির ওই শাড়িটা কি তোমার? বিশ্বাস করো—
অমন শাড়ির আড়ালে লুকোচুরি খেলতাম শৈশবে
শাড়ি ও আমার মধ্যে কাটাতার তুলেছে কে? কবে?
সময় পেলে উত্তর দিও, উড়তে দিও বিস্তৃর্ণ শাড়ির পাড়
নীলাঞ্জন মিত্তির, সব কিছুই কি বন্টন করতে পারে কাটাতার?
Picked up where you left off