কিছুক্ষণ আগে ঘটে গেলো অনেক কিছু
রাস্তা দিয়ে হাঁটছিলাম একা, আশপাশে ছিলো সবাই।কে একজন পেছন থেকে এসে আমার আগে চলে গেলো, মুখ ফিরিয়ে হাসি দিলো
বাংলায় এই হাসির মানে দাঁড়ায়- ‘মারা খা’
আর ইংলিশে- sorry dear.
কাঁধে একজন হাতরেখে বললো- ‘ভাই, একপাশ দিয়ে হাঁটেন; মাঝখান আর অন্যপাশটা খালি রাখেন’
মমতা ছুঁড়ে দিয়ে গেলো লোকটি; এই ছুঁটেচলা, সমাপ্তিহীন ছুঁটে চলায় বার বার পিছিয়ে পড়ার অভ্যাস হয়ে গেছে আমার।
একবন্ধু (মানে আসলেই সে বন্ধু, কোন কাগুজে কিংম্বা তেজপাতার সম্পর্কের মতো না)। আমাকে ডেকে বললো- ‘এই তুই কি খুঁজছিস এখানে! আমরা তো সবাই জেনে গেছি, যা খুঁজছিস তা আসলে নেই; ছিলো কোনকালে, অনেক অনেক গভীর অতীতে; যেদিন থেকে মানব ইতিহাসে ব্যক্তিগত সম্পত্তির ধারণা এসেছে, সেদিন থেকে তাকে আর খুঁজে পাওয়া যায় না, মনোজগতে তুই তার একটা ইমেজ কল্পনা করে ভালো থাকতে পারিস’।
বোকার মতো আমি বলে বসলাম- না সে আছে, ধারণায় না, একেবারে বর্তমানে।
বন্ধুটি আমার হেসে উত্তর দিলো- ‘তুই অসুখী কারন, তুই অসুখী; এই একটু আগে তোর ভেতরে যে দহন ও বিস্ফোরণ ঘটে গেলো, দহনের উত্তাপ আর বিস্ফোরণের শব্দ ও গন্ধ তুই বুঝেছিস অন্য কেউ নয়।’
আমার মুখ ফ্যাঁকাশে হয়ে গেলো, প্রতিনিয়ত যে দহন ও বিস্ফোরণ আমার ভেতরে ঘটে, তা আমার জন-স্বজন-দুর্জন কেউই বোঝেনা।