“প্রতিনিয়ত যে দহন ও বিস্ফরণ আমার ভেতরে ঘটে
তা আমার জন-স্বজন-দূর্জন কেউই বুঝেনা”
একই ঘটনায় ভালোলাগা মম্দলাগা সমানভাবে প্রকাশিত হচ্ছে কিনা তা অনুসন্ধান করতে গিয়ে কবির পরিচিতি পেলাম।
‘কবি’ অদ্ভুত মিশ্র স্বত্তা (আপনি আমার সাথে একমত নাও হতে পারেন)
কাব্য অনুভূতি যোগ প্রেমিক স্বত্তা,
প্রতিনিয়ত প্রেমিক স্বত্তা কাব্যকে অতিক্রম করে বা দূরে ঠেলে এগোতে থাকে
বিপত্তি এখানেই!
যখন ‘প্রেমিক’ একা থাকে তখন তার
দুঃখবোধ সুখবোধ ভিন্ন ভিন্ন পরিমাপে দেখা দেয়;
দুঃখ ধরা দেয়- অতিদুঃখ আকারে;
সুখ ধরা দেয়- অতিসুখ আকারে;
Extremist, ধ্বংসাত্তক প্রেমিক স্বত্তা।
প্রেমিক যখন ছাড়িয়ে যেতে পারেনা কাব্যকে
তখন আমি-তুমি-সকলেই
হয়ে উঠি কবি;
ঋষি সাধু হয়ে উঠি,
আমাদের দহন ও পুলক
সমানতালে চলে রেলের রাস্তার মতোন।