১.দাপ্তরিক যানজট
দুপুরে আবদার বাড়ে,
আবেদনের খামে লাঞ্চ ব্রেকের করুণ অভিশাপ,
আমলার এসির বাতাসের তীক্ষ্ণতা
হিম শীতলে গরম অনুভব করা
আমরা একটা মানুষ।
মানুষ চাই, সে আসে, ফিরে যায়
কড়া নাড়ে, দেখে যায়।
শূণ্যের খাতায়
তখন তুমি নীরব
একটি অনিষ্পন্ন নথির মতো;
যতবার খুলে দেখি,
ততবার নিজেরই স্বাক্ষর
অপরাধের সুনিশ্চিত প্রমাণ হয়ে ওঠে।
অতঃপর মানুষ রূপান্তর হয়
রূপকথায়
২.একটি দার্শনিক কারাগার
প্রথম কথপোকথনে
জগতের বিমা-দপ্তরে
নিজের মৃত্যুর কাগজ জমা দেওয়া
বিনিময়ে পাওয়া যায়
একটি অনিশ্চিত জন্মের পলিসি।
তোমার স্বকীয় অনুভবে
মহাবিশ্বের
অপরিশোধিত ঋণের সুদ
যে ঋণ শোধ করতে গিয়ে
মানুষ বারবার জন্ম নেয়,
বারবার একই ভুলকে
কিছু বলে ডাকে।
কিছু কিছুটা নিশ্চুপ থাক
তোমার চোখ দুটি ক্ষুদ্র সার্বভৌম রাষ্ট্র,
শাসক শাসিতের সমাজতান্ত্রিক মুক্তি কিংবা যুক্তি।
তোমার নীরবতা
একটি দার্শনিক কারাগার,
গড়ে ওঠা যান্ত্রিক ঢাকার
অযান্ত্রিক লোভ।
৩.তোমার প্রথম এবং হয়তো শেষ আমার
টানটান একটা চাহনি ঘিরে নেমে পড়লো একটা ধূমকেতু।
শয্যাশায়ী চাঁদের ঝলমলে আলোয় তোমার সাথে প্রথম আকাশ দেখা,
একটা অন্ধকার আকাশ,মাঠ
চারিদিকে ফিকে হওয়া যাওয়া যান্ত্রিক কোলাহল
একটা বিচ্ছিন্ন প্রতিসাম্যের গল্প
চিরুনির আঁচড়ে দেওয়া কচি ঘাসের ডগায়
মৃত্যুর উপমা,
আর হাজার খানেক শব্দের ইনসোমেনিয়া।
তোমার কপালে কাল্পনিক টিপ,
মাঠের ফিকে ধুলিকণায়
তোমার প্রথম এবং হয়তো শেষ আমার
||একুশ সেপ্টেম্বর দুই হাজার ছাব্বিশ