গাড়ি থেকে সুমন নামল।
রায়হান দরজা খুলে দাঁড়িয়ে রইল।
সুমন বলল, “আমার ওপর রাগ করিস না।”
রায়হান বলল, “তুই সব জানতিস?”
সুমন মাথা নিচু করল।
“কতদিন?”
“তোর সঙ্গে বন্ধুত্ব হওয়ার আগেই।”
রায়হান স্তব্ধ।
সুমন বলল, “আমার বাবা সালেহের সঙ্গে কাজ করত।”
“কাজ করত মানে?”
“তোর বাবাকে নজরে রাখার কাজ।”
রায়হানের চোখে অবিশ্বাস।
“তুই আমার কাছে কেন এসেছিলি?”
সুমন কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে বলল, “প্রথমে তোর ওপর নজর রাখতে। পরে সত্যিই বন্ধু হয়ে গিয়েছিলাম।”
রায়হান ধীরে বলল, “তাহলে এখন?”
সুমন বলল, “এখন আমি চাই তুই বেঁচে থাকিস।”
“কার কাছ থেকে?”
সুমন উত্তর দিল না।
ঠিক তখন বাইরে গাড়ির ব্রেকের শব্দ হলো।
সুমন জানালার দিকে তাকিয়ে বলল—
“ওরা এসে গেছে।”