অলৌকিক অশান্ত নদীর কিনারায় দাঁড়ায়ে
বলা হলো- তোমায় বিরান হতে হবে!
ক্রমশই ফুলে-ফেঁপে ওঠা ঢেউয়ের বুক চিড়ে
উন্মাদ হতে হবে; পাহাড়ের কোমল, শীতল,
বিলেতি আপেলের মতো পরিপুষ্ট, সুডৌল
অরণ্যের অনুগামী মত্ত কোনো অভিযাত্রী যেভাবে
ছিঁড়ে ছিঁড়ে দেখে প্রতিটি গুহা, সুরঙ্গ।
যেভাবে বসন্তের শেষ প্রহরে বৃক্ষের আঙ্গুলে
স্থির বসে পায়রার ঠোঁটে ঠোঁটে চলে অন্তরঙ্গ।
তখন তোমায় মনে পড়ে; কিন্তু বলা হলো-
ব্যস্ততম মগ্ন, নির্ঘুম, দিবারাত্রেও মুখে মুখ লেগে থাকা,
নিশীথের নৈশব্দিক শিশিরে ভিজে আলাপন
ত্যাগ করতে হবে। কিন্তু এ যে পরিকল্পিত বিভাজন;
এ কোনো যোগ নয়, নাইবা বিস্তৃত প্রণয়ের তৃপ্তি!
এ তেষ্টার সমাপ্তি নেই; নৈকট্যই চূড়ান্ত মায়াজুড়ি।