Written By Asadullah Galib Al Sadi
একসময় মহাকাশে যাওয়ার সক্ষমতা ছিল হাতে গোনা কয়েকটি রাষ্ট্রের মধ্যে সীমাবদ্ধ। এখন পরিস্থিতি বদলেছে। রাষ্ট্রের পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানও মহাকাশ গবেষণা, স্যাটেলাইট এবং উৎক্ষেপণ প্রযুক্তিতে বড় ভূমিকা রাখছে।
মহাকাশ এখন শুধু বৈজ্ঞানিক গবেষণার জায়গা নয়। যোগাযোগ, আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ, নেভিগেশন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা এবং সামরিক প্রযুক্তির সঙ্গে স্যাটেলাইটের সম্পর্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
একটি আধুনিক দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা থেকে শুরু করে বিমান চলাচল পর্যন্ত বিভিন্ন ক্ষেত্রে মহাকাশভিত্তিক প্রযুক্তি ব্যবহৃত হচ্ছে। ফলে মহাকাশ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হলে তার প্রভাব পৃথিবীর মাটিতেও পড়তে পারে।
এই কারণে মহাকাশকে ঘিরে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতাও বাড়ছে। কে কত উন্নত স্যাটেলাইট তৈরি করতে পারছে, কে দ্রুত উৎক্ষেপণ করতে পারছে এবং কে মহাকাশে দীর্ঘমেয়াদি উপস্থিতি তৈরি করতে পারছে, এসব প্রশ্ন ভবিষ্যতের কৌশলগত সম্পর্ককে প্রভাবিত করতে পারে।
তবে মহাকাশের ব্যবহার নিয়ে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার প্রয়োজনও রয়েছে। কারণ মহাকাশ সীমাহীন মনে হলেও সেখানে সম্পদ ও কক্ষপথ ব্যবহারের বাস্তব সীমাবদ্ধতা রয়েছে।
মহাকাশ প্রতিযোগিতার সবচেয়ে বড় শিক্ষা হলো, ভবিষ্যতের ভূরাজনীতি শুধু পৃথিবীর মানচিত্রে সীমাবদ্ধ থাকবে না। মানুষের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রতিযোগিতার একটি অংশ ধীরে ধীরে পৃথিবীর বাইরেও বিস্তৃত হচ্ছে।