হঠাৎ ডেকে আনা পরিকল্পিত বজ্রপাত, আর তার পরপরই শুরু হলো বানোয়াট প্রখর শীতের এক ব্যর্থ প্রদর্শন—যা আমার ঈমানের দেওয়ালকে কাঁপাতে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে। কারণ, দিনশেষে সর্বশক্তিমান খোদা এই অধমের পক্ষে তাঁর অলৌকিক গায়েবি লাঠি নামালেন।
ইদানীং বড় বেশি অনুভবে ভেসে উঠছে, খোদার পরম ভালোবাসার এক প্রখর তাপময় চির-বসন্ত সমাগত। তিনি ভিন্ন এক মহাজাগতিক সংকেত পাঠাচ্ছেন—যে বসন্ত হৃদয়কাননে ফুল ফোটাবেই ফোটাবে, আর তার স্বর্গীয় গন্ধে ভরে উঠবে আকুল অন্তর। তিনি পরম মহান, তিনি অতীব সম্মানিত! সত্য ও স্বচ্ছলতার সাথেই কেবল তাঁর বসবাস, আর চক্রান্তকারীদের মুখে তিনি নিপুণভাবে লেপে দেন তাদের নিজেদেরই হাতের কামাই করা লজ্জা ও চুন-কালি।
খুব দ্রুতই তিনি এমন এক চির-বসন্তের উদ্যাপন ঘটাবেন, যার অলৌকিক মেলা দেখে সব আহত আত্মা জুড়িয়ে যাবে এবং বিক্ষুব্ধ মন হবে পরম শান্ত। ওপারে যদি তাঁর অনুগতদের জন্য অনন্ত বসন্ত বিরাজ করতে পারে, তবে এই ধূলাধরার মাটির মানুষ তা থেকে বঞ্চিত হবে কেন? তাই তো খোদার দেওয়া সেই মহাসত্য ও বসন্তের খোঁজে আজ আমি এক গৃহত্যাগী মুসাফির হয়ে পথে বের হতে বাধ্য হয়েছি।
তিনি কতই না মহান ও সম্মানিত! জগতের যত অহংকারী, অসভ্য, অসামাজিক ও অসুস্থ মস্তিষ্কের মানব-শয়তান রয়েছে—তাদের চেয়ে হাজার গুণে দামি সেই কুৎসিত চেহারার মানুষটি, যে নম্র, বিনয়ী এবং নিজের ঈমানে অটল থাকে। নিঃশ্বাসে নিঃশ্বাসে আজ কেবলই সেই পরম বসন্তের প্রস্তুতিলগ্নের সংকেত ভেসে আসছে...।