মাটির মানুষ বলে-প্রত্যেক দেহের ভেতরেই এক বলিষ্ঠ আত্মা দুখী হয়ে আছে; কারণ সে নিজেকে এই নশ্বর দেহের ভেতরেই আবদ্ধ করে নিয়েছে এবং দেহটাকেই নিজের একমাত্র পরিচয় ভেবে বসে আছে! কেউ কখনো সেই আত্মাকে আবিষ্কার করার প্রয়োজনবোধ করেনি, যার ফলে দেখা দিয়েছে চরম এক আত্মিক দুর্ভিক্ষ। আর তাই মানুষ আজীবন বিভিন্ন দুঃখ-কষ্টের কথা বলে বেড়ায়।
তবে সব ধরনের দুঃখ থেকে পরিত্রাণের মূল উপায় দুটি
১. সমর্পণ: ঈশ্বর, গড, আল্লাহ, ভগবান বা যীশু যে নামেই ডাকি না কেন, তিনি এক ও অদ্বিতীয়। অন্তরের একদম গভীর থেকে কেবল তাঁর জন্যই সবকিছু আঁকড়ে ধরা কিংবা ছেড়ে দেওয়ার মানসিকতা তৈরি করা।
২. আত্মমগ্নতা ও ধ্যান: একমনে ধ্যানের মাধ্যমে নিজের ভেতরে তাঁকে ধারণ করা, নিজের আত্মায় মগ্ন থাকা এবং সেই মগ্নতায় চরম একনিষ্ঠ হওয়া। তাঁর দেওয়া এই একাকীত্বের স্বাদকে সবচেয়ে মিষ্টি অনুভূতি হিসেবে গ্রহণ করা।শুরুতে হয়তো কিছুটা কষ্ট বা দুঃখ হতে পারে, কিন্তু একবার যখন অন্তর তাঁর প্রেমে মগ্ন হয়ে যাবে, তখন হৃদয়ে নেমে আসবে স্বর্গীয় আলো আর প্রভুর অসীম ভালোবাসা!
আজ ২০২৬ সালে এসেও কি কেউ আছে, যে এই কথাগুলোর মূল সত্যটা উপলব্ধি করতে পারে?