ভরদুপুরের প্রখর রোদ যখন শহরের পিচ ঢালা রাজপথকে
এক অদৃশ্য আয়নার মতো ঝাপসা করে দেয়,
বারান্দার কোণে জং ধরা কাঠের চেয়ারটায়
অচল হয়ে বসে থাকে একজন ভাবুক লোক।
চারপাশের ক্লান্ত কোলাহল থমকে আছে দৈনন্দিন রুটিনে,
হাঁপাতে থাকা কাকটাও মগডাল ছেড়ে লুকিয়েছে পাতার ছায়ায়।
কিন্তু লোকটা তখনো দেখছে মাথার ওপরের অসীম শূন্যতাকে।
যেখানে নীল রংটা আজ নীল নয়,
বরং কোনো এক প্রাচীন শিল্পীর ক্যানভাস থেকে গলে পড়া গনগনে বৈরাগ্য।
তার চোখে কোনো নির্দিষ্ট মেঘ নেই আজ,
নেই হারিয়ে যাওয়া বা ফিরে পাওয়ার কোনো ব্যাকুল তাগিদ।
সে শুধু দেখছে,
কী অসীম ঔদ্ধত্যে দুপুর দুটো বাজলেও আলো নিজেকে এত বিলিয়ে দেয়,
অথচ মানুষ কত মেপে মেপে খরচ করে তার সমস্ত আবেগ।
একটি চিল ডানা না নেড়ে ভেসে যায় বাতাস কাটার অলস মহড়ায়।
আর লোকটার মনে হয়,
এই নিখিল বিশ্বসংসারের সমস্ত রহস্য বোধহয় বন্দি হয়ে আছে
দুপুরের এই স্তব্ধ, খটখটে, নীল শূন্যতার মাঝখানে।
Comments
Be this story’s first reader
+25 XPNobody has commented yet. Sign in, read it, and be first with a thoughtful comment to earn the bonus.
Sign in to claimFirst reader
You were first.
+0 XP
Yours is the first word this story has heard. Its writer will see it.
You also earned the First Reader honour.