সময়ের সাথে পাল্লা দেয়া দৈনন্দিনের
সকল সাক্ষাতে এ কথা, ও কথায় তুমি
দিব্যি কেটে যা যা বলেছিলে, সব আমি
লিখে রেখেছিলাম, ভাগ্যিস। এখন অবসরে
আমি বর্তমানের সাথে মিলিয়ে মিলিয়ে
দেখে ভাবি, মানুষ কথা দেয় কেন!
এই জনমে না হলেও, দেখো সত্যিই
আমি তুমি আমাদের পরের জনমে
একসাথে হাত ধরাধরি করে নদীর ধারে
বসে ঢেউ গুনবো। সবচেয়ে বেশী
উচ্চারিত এ বাক্যটাতেই কেবল অপেক্ষার
আক্ষেপ হয়। বাকি কথাগুলো সব দৈনিক
পত্রিকার শিরোনামদের মতো গুরুত্বহীন।
সীমানার পর সীমানা পেরিয়ে যেখানে
তুমি থাকো, সেখানে নদী না থাকলে-
তুমিতো নদী না দেখতে দেখতে এ বাক্যটাও
ভুলে যাবে। যে কথা এ জনমে ভুলে যাও,
সে জনমে যদি মনে না পড়ে? অবশ্য স্বীকার না
করলেও চলবে আমার। তোমার অনেক কথা
আমার কাছে বিলবোর্ডের বাণীর মতো লাগে
ইদানীং। পিঁপড়ের মতো সারি বেঁধে বুকের
গহীনে হেঁটে বেড়ায় তোমার মিথ্যে মিথ্যে দিব্যিগুলো।
যা এ জনমে হয়নি, তা অন্য জনমেও হয়না।
প্রচুর বিজ্ঞাপন দেখতে দেখতে আমরা এখন
মিথ্যে বুলি বুঝতে পারি। বিষন্ন বর্ষায় মেঘেরা
আধাঁর তৈরী করলেও সূর্যটাই শুধু সত্য!
মেঘেরা তো বর্ষার বিজ্ঞাপন, আমরা জানি।
(কবিতাটি আমার স্বগতোক্তি কাব্যগ্রন্থে প্রকাশিত)
Comments
First reader
You were first.
+0 XP
Yours is the first word this story has heard. Its writer will see it.
You also earned the First Reader honour.
-
-
মেঘেরা তো বর্ষার বিজ্ঞাপন, আমরা জানি। কথাটা দারুন লিখেছেন। মিথ্যে দিব্যিগুলোর কথা আনলেন। দারুন লাগল।